প্রচ্ছদ > শীর্ষ সংবাদ > সিলেটে এনটিভির সাংবাদিককে অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

সিলেটে এনটিভির সাংবাদিককে অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২

শীর্ষ সংবাদ সিলেট প্রতিক্ষণ সিলেট শীর্ষ

সময়ের ডাক
অপহরণকারীদের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন এনটিভির স্টাফ করেসপন্ডেন্ট মারুফ আহমদ। গতকাল রাত ৮টার দিকে সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার ব্ল-ওয়ার্টার ভবনের পার্কিংয়ে ঘটে এ ঘটনা। পরে কোতোয়ালি থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার হন দুজন। পলাতক একজনকে খুঁজছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন—শামীম হোসেন ও সোহেল রানা।

সাংবাদিক মারুফ ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক। গতকাল অপহরণের চেষ্টার সময় ওই ভবনের গ্যারেজের নিরাপত্তাকর্মীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। এসময় মারুফকে মারধর করে নগদ অর্থ ও জরুরি কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায় অপহরণের চেষ্টাকারীরা। একই সঙ্গে দেওয়া হয় হত্যার হুমকি।

এ ঘটনায় আহত মারুফকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন তিনি।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ব্লু-ওয়ার্টারের আন্ডারগ্রাউন্ডে মোটরসাইকেল পার্কিং করার সময় হঠাৎ করে তিন যুবক মারুফের ওপর হামলা করেন। একই সঙ্গে তাঁরা অপহরণের চেষ্টা চালান। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন।

সাংবাদিক মারুফ বলেন, ‘লোকজন এগিয়ে আসলে ওই তিন যুবক আমার মানিব্যাগ, নগদ সাতানব্বই হাজার টাকা ও জরুরি কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যাবার সময় আমাকে সুযোগে পেলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি দেয়।’

হামলার পুরো ঘটনা ব্লু-ওয়ার্টা মার্কেটের সিসিটিভির ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। সেখানে স্পষ্ট দেখা যায় অপহরণকারীদের কর্মকাণ্ড।

সিসিটিভি ফুটেজে নেভি ব্লু রঙের টিশার্ট পরা একজনকে দেখা যায়। মারুফ বলনে, ‘নেভী ব্লু রঙের টিশার্ট পরা আসামি আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা চালায়।’

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও সব আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করেছেন ইলেকট্রনিকস মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজার) সিলেট।

সংগঠনের সহসভাপতি দিগেন সিংহ বলেন, ‘এই হামলার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। সেটি খতিয়ে দেখা উচিৎ বলে মনে করছি। এর পেছনে আর কারা আছে, তা খুঁজে বের করতে হবে।’

এ ব্যাপারে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। মামলার প্রেক্ষিতে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন পলাতক আছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’