মাহিয়া মাহি আর ‘সিলেটী বধূ’ নন!

সময়ের ডাক:: চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এখন আর সিলেটী বধূ নেই। বিয়ের ৫ বছরের মাথায় ভেঙে গেছে মাহি-পারভেজের সংসার। মাহিয়া মাহি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিলেটের পারভেজ মাহমুদ অপুকে ২০১৬ সালে বিয়ে করেছিলেন মাহি।

২২ মে রাতে মাহি ফেসবুকে লিখেছেন, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সাথে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা।পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলোকে আর কাছ থেকে না দেখতে পাওয়াটা, বাবার মুখ থেকে মা জননী, বড় বাবার মুখ থেকে সুনামাই শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড় অপারগতা। আমাকে মাফ করে দিও। তোমরা ভালো থেকো। আমি তোমাদের আজীবন মিস করবো।

বিচ্ছেদের বিষয়ে মাহি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘বিষয়টি সত্যি। তবে অনুরোধ করবো নেতিবাচক কিছু না লেখার জন্য। আমি চাই পরস্পরের সম্মানবোধটা বাঁচুক।’

২০১৬ সালের ২৫ মে মাহি-অপু জমকালো আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। মাহমুদ পারভেজ অপু সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কদমতলি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। বড় ভাই লন্ডন প্রবাসী এবং বাকি দুই ভাই লেখাপড়া করছেন।

অপু দীর্ঘদিন থেকে তার বাবার কয়লা ব্যবসা ও দুটি ইটভাটা দেখাশুনা করেন।

সিলেটে মাহমুদ পারভেজ অপু ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির বিয়ের চার বছর আগ থেকেই পরষ্পরের চেনা-জানা। তবে বিয়েটা করছেন পরিবারের পছন্দেই।

বিয়ের সময় মাহি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে খুব ভালো মনের একজন মানুষকে স্বামী হিসেবে পেয়েছি। অপু সহজ সরল সাধারণ একজন মানুষ। এমন একজন মানুষই আমার জীবনে আমার পাশে চেয়েছিলাম। আল্লাহ আমার সেই ইচ্ছে পূরণ করেছেন।’

অপুর সঙ্গে বিয়ের আগে বন্ধুর সঙ্গে বিয়ের গুজব ওঠে মাহির। এছাড়া প্রযোজক আবদুল আজিজের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছিল মাহিকে নিয়ে। আবদুল আজিজের সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি স্বীকারও করেন মাহি।

সবকিছুর শেষে মাহির ভাষ্যমতে- সিলেটের পারভেজের মতো একজন ভালো মানুষকে জীবসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি খুশি ও সুখি ছিলেন। কিন্তু মাত্র ৫ বছরের মাথায় ভেঙে গেলো সেই ‘সুখের’ সংসার।

n :: চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এখন আর সিলেটী বধূ নেই। বিয়ের ৫ বছরের মাথায় ভেঙে গেছে মাহি-পারভেজের সংসার। মাহিয়া মাহি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিলেটের পারভেজ মাহমুদ অপুকে ২০১৬ সালে বিয়ে করেছিলেন মাহি।

২২ মে রাতে মাহি ফেসবুকে লিখেছেন, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সাথে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা।পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শ্বশুরবাড়ির মানুষগুলোকে আর কাছ থেকে না দেখতে পাওয়াটা, বাবার মুখ থেকে মা জননী, বড় বাবার মুখ থেকে সুনামাই শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড় অপারগতা। আমাকে মাফ করে দিও। তোমরা ভালো থেকো। আমি তোমাদের আজীবন মিস করবো।

বিচ্ছেদের বিষয়ে মাহি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘বিষয়টি সত্যি। তবে অনুরোধ করবো নেতিবাচক কিছু না লেখার জন্য। আমি চাই পরস্পরের সম্মানবোধটা বাঁচুক।’

২০১৬ সালের ২৫ মে মাহি-অপু জমকালো আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। মাহমুদ পারভেজ অপু সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কদমতলি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। বড় ভাই লন্ডন প্রবাসী এবং বাকি দুই ভাই লেখাপড়া করছেন।

অপু দীর্ঘদিন থেকে তার বাবার কয়লা ব্যবসা ও দুটি ইটভাটা দেখাশুনা করেন।

সিলেটে মাহমুদ পারভেজ অপু ও চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির বিয়ের চার বছর আগ থেকেই পরষ্পরের চেনা-জানা। তবে বিয়েটা করছেন পরিবারের পছন্দেই।

বিয়ের সময় মাহি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে খুব ভালো মনের একজন মানুষকে স্বামী হিসেবে পেয়েছি। অপু সহজ সরল সাধারণ একজন মানুষ। এমন একজন মানুষই আমার জীবনে আমার পাশে চেয়েছিলাম। আল্লাহ আমার সেই ইচ্ছে পূরণ করেছেন।’

অপুর সঙ্গে বিয়ের আগে বন্ধুর সঙ্গে বিয়ের গুজব ওঠে মাহির। এছাড়া প্রযোজক আবদুল আজিজের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ছিল মাহিকে নিয়ে। আবদুল আজিজের সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি স্বীকারও করেন মাহি।

সবকিছুর শেষে মাহির ভাষ্যমতে- সিলেটের পারভেজের মতো একজন ভালো মানুষকে জীবসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি খুশি ও সুখি ছিলেন। কিন্তু মাত্র ৫ বছরের মাথায় ভেঙে গেলো সেই ‘সুখের’ সংসার।