করোনার শনাক্ত কমেছে ও বেড়েছে মৃত্যু

সময়ের ডাক: দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শুক্রবারের তুলনায় শনিবার কমেছে, তবে গতকালের তুলনায় বেড়েছে মৃত্যু। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ১৬ জনের মৃত্যু হয়। একই সময় নতুন করে আরও ৬৯২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। গতকাল শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৭৮৫।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যু হলো ৭ হাজার ৭৫৬ জনের। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৩৮২।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে গত বুধবার ৯৭৮ জন, মঙ্গলবার ৯৯১, সোমবার ৯১০, রোববার ৮৩৫, শনিবার ৬৮৪ ও গত শুক্রবার ৯৯০ জন করোনাভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হন।

অ্যান্টিজেনভিত্তিক পরীক্ষাসহ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২ হাজার ৯০৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৭৮৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪ জন হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২২ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন, নারী ৫ জন। এই ২২ জনের মধ্যে ২১ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন; আর বাড়িতে মারা গেছেন ১জন। করোনাভাইরাসে পুরুষের সংক্রমণ হার বেশি। দেশে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫ হাজার ৮৯৫ জন পুরুষ। নারী মারা গেছে ১ হাজার ৮৬১ জন।

এই পর্যন্ত যারা মারা গেছেন, তাদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে জানানো হয়, ষাটোর্ধ্ব রোগীদের মৃত্যুর হার ৫৪ দশমিক ৮২ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার ২ দশমিক ০৮ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ ও শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী রোগীদের মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ।

এলাকাভিত্তিক বিশ্লেষণে মৃতের হার ঢাকা বিভাগে ৫৫ দশমিক ১৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ, খুলনায় ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ, বরিশালে ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, সিলেটে ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ, রংপুরে ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ময়মনসিংহে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ।