প্রথম পর্যায়ে সিলেটের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে

সময়ের ডাক:গতকাল মঙ্গলবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া সিলেটের কুমারগাঁও উপকেন্দ্রের পাওয়ার ট্রান্সফরমার মেরামতে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রায় ২০০ কর্মী। এ রিপোর্ট লেখা (বুধবার দুপুর ১২টা) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শ্রমিকদের ক্লান্তিহীন কাজ করতে দেখা গেছে। মেরামত কাজের তদারকি করছেন বেশ কয়েকজন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে পিডিবির সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, আজ বিকেলের দিকে ডিভিশন ১ ও ২-এর আওতাধীন নগরীর এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

ডিভিশন ১ ও ২-এর আওতাধীন নগরীর এলাকাগুলো হচ্ছে, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আলিয়া মাদরাসা, স্টেডিয়াম, আম্বরখনা, ওসমানী মেডিকেল, তালতলা, বন্দবাজার একাংশ, শাহজালাল উপশহর, শিবগঞ্জ, টিলাগড়, রায়নগর, এসমসি কলেজ এলাকা, মির্জাজাঙ্গাল, লামাবাজার, শাহী ঈদগাহ, হাউজিং এস্টেট, মহাজনপিট্ট, মুরাদপুর, আখালিয়া, মদিনা মার্কেট, বাগবাড়ি ইত্যাদি।

এই মুহুর্তে সিলেট মহানগরীর আড়াই লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছেন বলে জানিয়েছেন পিডিবির প্রকৌশলী ফজলুল করিম।

 

আজ বুধবার সকালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী (বিক্রয় ও বিতরণ) খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন বলেন, গতকাল রাত থেকে প্রায় ৪০০ কর্মী কাজ করছেন। আজ দুপুরের আগে মেরামত করা কিছু পিলার পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ বিকেলের দিকে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তবে বাকি এলাকায় কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার রাতে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বুধবার (১৮ নভেম্বর) সন্ধ্যার মধ্যে একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ আংশিক চালু করা সম্ভব হতে পারে। আর অন্য একটি ট্রান্সফরমার গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে। সেটি স্থাপন করার পরই পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে সিলেটের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।