প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > সিলেটে সাধারন ছাত্র কল্যাণ পরিষদের প্রতিকী গণ অনশন পালন

সিলেটে সাধারন ছাত্র কল্যাণ পরিষদের প্রতিকী গণ অনশন পালন

সিলেট প্রতিক্ষণ সিলেট শীর্ষ

 

সময়ের ডাক: চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ সহ চার দফা যৌক্তিক দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে প্রতিকী গণ অনশন ও মমবাতি প্রজ্জ¦লন কর্মসূচি পালন করেছে । বিকাল ৪ টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র কল্যাণ পরিষদ সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র কল্যান পরিষদ সিলেট জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক শাহ নাজিম উদ্দিন, সমন্বয়ক সাবেল আহমদ খাঁন,সমন্বয়ক শাহনুর মিয়া,শহিদ আহমদ,শাহ মোঃ ফারহান, মেহেদী হাসান,সেলিনা বেগম,নিহার রন্জন দাস,আশীষ কান্তি দাস,মিহির পুরকায়স্ত প্রমূখ।

উল্লেখ্য চাকরিতে আবেদনের বয়স বৃদ্ধি ৩৫ সহ চার দফা যৌক্তিক দাবিতে গত ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ইং থেকে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে গণ অনশন শুরু করে আজ অষ্টম দিন কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে প্রতিকী গণ অনশন পালন করা হয়।

তাদের দাবিসমুহ হল
★ চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছর করতে হবে।
★ আবেদন ফি ৫০–১০০টাকা নির্ধারন করতে হবে।
★চাকরির পরীক্ষা নিজ জেলা কিংবা বিভাগীয় শহরে নিতে হবে।
★ চাকরিরর পরীক্ষা ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে।
★ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল বয়স বৃদ্ধি তাই ৩৫ করতে হবে।
★তাছাড়া মানুষের গড়আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে যখন গড় আযু ৫৭ বছর থেকে বৃদ্ধ পেয়ে ৬০ বছর হয় তখন আবেদনের বয়স ২৭ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৩০ বছর করা হয়।বর্তমানে ৬০ বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭২.৮৯ প্রায় ৭৩ বছর কিন্তু আবেদনের বয়স ৩০ থেকে বাড়ানো হয় নি বরং অবসরের বয়স ২ বরং বৃদ্ধি করেছে সরকার। ২০১৮ সালে আইন পাশ হয়ে যুবনীতি ৩৫ বছর করা হয়।
★সেশন জটের মাধ্যমে ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতোকের ৩-৪ বছর সরকার কেড়ে নিয়েছে। ২৮ লক্ষ শিক্ষার্থী সেশন জটের শিকার হয়েছে। ভারত সহ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছরের উপরে তাহলে আমাদের দেশে ৩০ হবে কেন? চাকরিতে প্রবেশের বযস ৩০ থাকার কারনে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ নেই। তাহলে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে কি লাভ। বয়সের মাপকাঠিতে যোগ্যতার বিচার করা ঠিক নয়।
বৈষম্য মুক্তিযোদ্ধাদের ৩২ বছর আবেদনের বয়স বিভাগীয় প্রার্থীদের ৩৫ বছর ডাক্তার নার্সদের ৩৬ বছর, তাহলে আমরা সাধারন গরিব মেধাবিরা দেশে প্রায় ৮০ % শিক্ষার্থীরা ৩০ বছরে সিমাবদ্ধ থাকবো কেন। সবার জন্য সমান সুযোগ দিতে হবে।