প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > বিশ্বনাথে পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা!

বিশ্বনাথে পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা!

সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক :সিলেটের বিশ্বনাথে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। আগের তুলনায় অধিক মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। কেজি প্রতি নেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা আর সর্বনিম্ন ১২০ টাকা।

কিছুদিন অল্প কমিয়ে আবার দ্বিগুন মূল্য বৃদ্ধি করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা সাধারণ। অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজি ও নিয়মিত বাজার মনিটরিং না হওয়ায় এমনটি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই।

জানা যায়, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ঘোষণার পরপরই দেশের বাজারে এই পণ্যের দামে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। ২০-২৫ টাকা থেকে একলাফে ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি শুরু হয় পেঁয়াজ। দিনে দিনে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায় পেঁয়াজের দাম। পরে মিয়ানমার থেকে আমদানি শুরু হলে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে মোটেও এর প্রভাব পড়েনি।

রোববার (২৭ অক্টোবর) সরেজমিনে বিশ্বনাথের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা সদরে বিভিন্ন পাইকারি দোকানে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। খুচরা বিক্রেতারা বিক্রি করছেন ১৩০ টাকায়। কেউ বা বিক্রি করছেন ১২৫ টাকায়। সদর ব্যতীত অন্যান্য বাজারের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পেঁয়াজ রাখছেন না ব্যবসায়ীরা। যারা রাখছেন, তারা আরো উচ্চমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। ফের পেঁয়াজের বাজার অস্থির হওয়ায় চরম বেকায়দায় পড়েছেন ক্রেতা সাধারণ।

ক্রেতা মো. ইকবাল আহমদ বলেন, বর্তমানে মোরগ বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা দরে। বাজারে মোরগের চাইতে পেঁয়াজের দাম বেশি। ১৩০ টাকা হলে গড়ে ১টি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ১১-১২ টাকা। এ অবস্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্য মসলার সাথে পেঁয়াজ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, পেঁয়াজ কিনতে তাদের খরচ বেশি হচ্ছে। তাছাড়া পঁচে নষ্টও হয় কিছু পেঁয়াজ। তাই এমন দামে বিক্রি করছেন তারা।

পাইকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল-জয়নাল’র পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, আড়তদাররা দাম না ছাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। কেজি প্রতি খরচসহ ১১৬-১১৭ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হয় আমাদের। সামান্য মুনাফায় ১২০ টাকায় বিক্রি করি আমরা।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল বলেন, শুধু এখানে না, সারা দেশেই দাম বেড়েছে। সকল উপজেলায় মনিটরিং করা হচ্ছে। শিগগির এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।