প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > সিলেটে সড়ক নির্মাণের পাথর লুটে ‘সওজ’, ‘ঠিকাদারী’ আর নেতাকর্মীরা

সিলেটে সড়ক নির্মাণের পাথর লুটে ‘সওজ’, ‘ঠিকাদারী’ আর নেতাকর্মীরা

সিলেট প্রতিক্ষণ সিলেট শীর্ষ

সময়ের ডাক ডেস্ক:সারীঘাট – গোয়াইনঘাট রাস্তা র্নিমানের আড়ালে চলছে লাখ লাখ টাকার পাথর লুঠের হিড়িক। নেপথ্যে রয়েছেন সওজ কর্মকর্তা. ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ও স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে দেয়া হয় চাঁদাবাজি মামলার হুমকি।সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী বললেন পাথর রাজ্যে এরকম কিছু হবেই। জানাগেছে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে সারী-গোয়াইনঘাট রাস্তার ৮ কিঃমিঃ র্নিমানের জন্য ৩৩কোটি ৭৮লাখ টাকা টেন্ডারের মাধ্যমে এমাউন্ট বরাদ্ধ হয়। টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্টান তমা কনট্্রাকশন এন্ড কোম্পানী লিমিটেড। কাজ শুর হওয়ার কথা ছিলি জানুয়ারী ২০১৯সালে। বছরের শুরুতেই নামমাত্র কাজের উদ্বোধন হলেও কচ্চপ গতিতে চলছে কাজ। অনিয়ম দিয়েই ১ম শুরু হয় রাস্তার দু’পাশে মাঠি ভরাটের কাজ। এরপর র্দীঘদিন কাজ বন্ধ থাকে নানারকম উজুহাত দেখিয়ে। কিছুদিন থেকে আবার কাজ শুরু হলে রাস্তায় থাকা পুরানো কয়েক কোটি টাকার পাথার নিতে থাকে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ও স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী। স্থানীয় লোকজন এর প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারের লোকজন এবং স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী চাঁদাবাজি মামলা ও হামলার হুমকি প্রদান করেন।শুক্রবার বিকেলে সরজমিন গিয়ে দেখা যায় দানবযন্ত্র এস্কবেটর মেশিন দিয়ে রাস্তা থেকে বোল্ডার পাথর উত্তোলন করে সারীঘাটে নিয়ে স্টক করে; রাখা হচ্ছে আর নিম্ন মানের বালু দিয়ে এসব গর্ত ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় একাধিক বয়স্ক লোকজন জানান পিয়াইন এবং সারী নদী দিয়ে নেমে আসা ভারতীয় ঢলের পানি থেকে রক্ষা পেথে স্বাধীনতাত্তোর রাস্তা রির্মানের সময় জাফলং থেকে এসব পাথর এনে মজবুত করে রাস্তা নির্মান করা হয়। কিন্তু এখন ঠিকাদার ও কিছু সরকারদলীয় নেতাকর্মী আমাদের পাথর ডাকাতি করে নিয়ে যাচ্ছে। বর্ষাকালে বন্যার পানিতে এই রাস্তা ভেঙ্গেযাবে। বন্যার কবল থেকে রক্ষাপেতে বোল্ডার পাথরগুলো হেফাজত রাখতে উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সৃ-দৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী। সরজমিনে কথা হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্টান তমা কনট্্রাকশন এন্ড কোম্পানী লিমিটেড’র প্রোপাইটর সামাদ মিয়ার সাথে। তিনি বলেন পাথরগুলো নেওয়ার জন্য টেন্ডারের স্টিমিটে উল্লেখ আছে। এছাড়া এই পাথর বাবত ২কোটি বিশ লাখ টাকা কর্তন করা হবে বলে তিনি এই প্রতিবেদকে জানান। জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান পাথর লুঠে নেওয়ার অভিযোগ শুনেছি, তবে এ বিষয়ে আমি অবগত নয়। জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান পাথর রাজ্যে এরকম কিছু হবেই। তবে এই পাথরগুলো উত্তোলন করে ক্রাসিং করে পুনরায় রাস্তা মেরামতে ব্যবহার হবে স্টিমিটে উল্লেখ আছে বলে জানান।