প্রচ্ছদ > জাতীয় > অবৈধ ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজ ঘুষ ও দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম

অবৈধ ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজ ঘুষ ও দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের টিম

জাতীয়

  • সময়ের ডাক ডেস্ক:অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে দুদক। সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাঈদ মাহবুব খান।

    সোমবার কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত। ওই টিমের অপর সদস্যরা হলেন- দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, মো. সালাহ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও নেয়ামুল আহসান গাজী।

    দুদক সূত্রে জানা যায়, জি কে শামীমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য ও মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    এরই অংশ হিসেবে বিপুল নগদ অর্থসহ গ্রেফতার জি কে শামীমের নামে একটি অনুসন্ধান ফাইল চালু করা হয়। জি কে শামীমের ওই ফাইলে অবৈধ ক্যাসিনোসহ সাম্প্রতিক অভিযানে যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    সূত্র জানায়, ওই টিমের সদস্যদের কাছে এরই মধ্যে কমিশন থেকে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমে আসা অন্তত ৪৫ জনের একটি নামের তালিকাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংসহ দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযাগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য টিমকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, এখন অনেকের বিরুদ্ধেই তথ্য আসছে। সেগুলো সংযুক্ত করে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দুদকের সুনির্দিষ্ট অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অভিযোগে কতজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আমার কাছে নেই। সেই তালিকাটি প্রকাশও করছি না। তবে অনুসন্ধানকালে আপনারা জানতে পারবেন।

    ক্যাসিনোর অবৈধ অর্থ ছাড়াও টেন্ডার বাণিজ্য, দখল ও কমিশন বাণিজ্যে যারা জড়িত তাদের তদন্তের আওতায় আনা হবে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ক্যাসিনোর বাইরে যে কোনো পর্যায়ের লোকই হোক না কেন, ছাড় পাবে না।

    তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হবে। যারা এই ব্যবসা করে বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, তাদের সবাইকে অনুসন্ধানের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সে যেই হোক। অবৈধ ব্যবসা করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে মানি লন্ডারিং বা পাচার করেছে কিনা সেটা আমরা দেখছি।

    দুদক সচিব জানান, দুদকের গোয়েন্দা ইউনিট নিজস্ব সিডিউলভুক্ত অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করে। আমরা ইদানীং তথ্য সংগ্রহ করছি। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল দেশ থেকে অর্থ পাচার করে লন্ডনে ব্যবসা শুরু করেছেন- তার বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করবে কিনা জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, আমরা এটি পত্রিকায় দেখেছি।

    আমাদের কাছে তথ্য এলে যাচাই-বাছাই করে দেখব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আসছে। কাজ শুরু করলে আপনারা জানতে পারবেন।

    পত্রিকায় আসা তথ্য যাছাই করা হবে। এর জন্য কমিটি আছে। অনুসন্ধান শুরুর আগে তা যাছাই করে কমিশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হয়। সেটা অনুসরণ করা হবে। জি কে শামীমের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে তাকে সব টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার কারিগর গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।

    প্রসঙ্গত, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে চলছে সারা দেশে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান। গত ১৩ দিনে মোট ৩৩টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর যুবলীগের দুই নেতা- খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন, অনলাইন ক্যাসিনোর গডফাদার সেলিম প্রধানসহ ২২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ২০১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

নন্দিত ডেস্ক:অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে দুদক। সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাঈদ মাহবুব খান।

সোমবার কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত। ওই টিমের অপর সদস্যরা হলেন- দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, মো. সালাহ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও নেয়ামুল আহসান গাজী।

দুদক সূত্রে জানা যায়, জি কে শামীমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য ও মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরই অংশ হিসেবে বিপুল নগদ অর্থসহ গ্রেফতার জি কে শামীমের নামে একটি অনুসন্ধান ফাইল চালু করা হয়। জি কে শামীমের ওই ফাইলে অবৈধ ক্যাসিনোসহ সাম্প্রতিক অভিযানে যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র জানায়, ওই টিমের সদস্যদের কাছে এরই মধ্যে কমিশন থেকে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমে আসা অন্তত ৪৫ জনের একটি নামের তালিকাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংসহ দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযাগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য টিমকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, এখন অনেকের বিরুদ্ধেই তথ্য আসছে। সেগুলো সংযুক্ত করে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দুদকের সুনির্দিষ্ট অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অভিযোগে কতজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আমার কাছে নেই। সেই তালিকাটি প্রকাশও করছি না। তবে অনুসন্ধানকালে আপনারা জানতে পারবেন।

ক্যাসিনোর অবৈধ অর্থ ছাড়াও টেন্ডার বাণিজ্য, দখল ও কমিশন বাণিজ্যে যারা জড়িত তাদের তদন্তের আওতায় আনা হবে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ক্যাসিনোর বাইরে যে কোনো পর্যায়ের লোকই হোক না কেন, ছাড় পাবে না।

তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হবে। যারা এই ব্যবসা করে বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, তাদের সবাইকে অনুসন্ধানের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সে যেই হোক। অবৈধ ব্যবসা করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে মানি লন্ডারিং বা পাচার করেছে কিনা সেটা আমরা দেখছি।

দুদক সচিব জানান, দুদকের গোয়েন্দা ইউনিট নিজস্ব সিডিউলভুক্ত অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করে। আমরা ইদানীং তথ্য সংগ্রহ করছি। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল দেশ থেকে অর্থ পাচার করে লন্ডনে ব্যবসা শুরু করেছেন- তার বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করবে কিনা জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, আমরা এটি পত্রিকায় দেখেছি।

আমাদের কাছে তথ্য এলে যাচাই-বাছাই করে দেখব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আসছে। কাজ শুরু করলে আপনারা জানতে পারবেন।

পত্রিকায় আসা তথ্য যাছাই করা হবে। এর জন্য কমিটি আছে। অনুসন্ধান শুরুর আগে তা যাছাই করে কমিশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হয়। সেটা অনুসরণ করা হবে। জি কে শামীমের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে তাকে সব টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার কারিগর গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।

প্রসঙ্গত, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে চলছে সারা দেশে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান। গত ১৩ দিনে মোট ৩৩টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর যুবলীগের দুই নেতা- খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন, অনলাইন ক্যাসিনোর গডফাদার সেলিম প্রধানসহ ২২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ২০১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

নন্দিত ডেস্ক:অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা, টেন্ডারবাজি ও ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে দুদক। সংস্থাটির পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাঈদ মাহবুব খান।

সোমবার কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত। ওই টিমের অপর সদস্যরা হলেন- দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, মো. সালাহ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও নেয়ামুল আহসান গাজী।

দুদক সূত্রে জানা যায়, জি কে শামীমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য ও মানি লন্ডারিংয়ের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরই অংশ হিসেবে বিপুল নগদ অর্থসহ গ্রেফতার জি কে শামীমের নামে একটি অনুসন্ধান ফাইল চালু করা হয়। জি কে শামীমের ওই ফাইলে অবৈধ ক্যাসিনোসহ সাম্প্রতিক অভিযানে যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র জানায়, ওই টিমের সদস্যদের কাছে এরই মধ্যে কমিশন থেকে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে গণমাধ্যমে আসা অন্তত ৪৫ জনের একটি নামের তালিকাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংসহ দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অভিযাগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য টিমকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, এখন অনেকের বিরুদ্ধেই তথ্য আসছে। সেগুলো সংযুক্ত করে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ দুদকের সুনির্দিষ্ট অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অভিযোগে কতজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আমার কাছে নেই। সেই তালিকাটি প্রকাশও করছি না। তবে অনুসন্ধানকালে আপনারা জানতে পারবেন।

ক্যাসিনোর অবৈধ অর্থ ছাড়াও টেন্ডার বাণিজ্য, দখল ও কমিশন বাণিজ্যে যারা জড়িত তাদের তদন্তের আওতায় আনা হবে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ক্যাসিনোর বাইরে যে কোনো পর্যায়ের লোকই হোক না কেন, ছাড় পাবে না।

তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হবে। যারা এই ব্যবসা করে বিভিন্নভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, তাদের সবাইকে অনুসন্ধানের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সে যেই হোক। অবৈধ ব্যবসা করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে মানি লন্ডারিং বা পাচার করেছে কিনা সেটা আমরা দেখছি।

দুদক সচিব জানান, দুদকের গোয়েন্দা ইউনিট নিজস্ব সিডিউলভুক্ত অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করে। আমরা ইদানীং তথ্য সংগ্রহ করছি। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল দেশ থেকে অর্থ পাচার করে লন্ডনে ব্যবসা শুরু করেছেন- তার বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করবে কিনা জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, আমরা এটি পত্রিকায় দেখেছি।

আমাদের কাছে তথ্য এলে যাচাই-বাছাই করে দেখব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আসছে। কাজ শুরু করলে আপনারা জানতে পারবেন।

পত্রিকায় আসা তথ্য যাছাই করা হবে। এর জন্য কমিটি আছে। অনুসন্ধান শুরুর আগে তা যাছাই করে কমিশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হয়। সেটা অনুসরণ করা হবে। জি কে শামীমের কাছ থেকে কমিশন নিয়ে তাকে সব টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার কারিগর গণপূর্তের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।

প্রসঙ্গত, ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে চলছে সারা দেশে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান। গত ১৩ দিনে মোট ৩৩টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগর যুবলীগের দুই নেতা- খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম ফিরোজ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন, অনলাইন ক্যাসিনোর গডফাদার সেলিম প্রধানসহ ২২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ২০১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।