প্রচ্ছদ > জাতীয় > নাজমুল হুদা দম্পতির আগাম জামিনের মেয়াদ বাড়ল

নাজমুল হুদা দম্পতির আগাম জামিনের মেয়াদ বাড়ল

জাতীয়

সময়ের ডাক ডেস্ক:ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার দুর্নীতি মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রী সিগমা হুদাকে দেওয়া আগাম জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন হাইকোর্ট। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ মেয়াদ বাড়ানো হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে নাজমুল হুদা নিজেই শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

আগের দিন দুর্নীতির এ মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদার করা আবেদন খারিজ করে মামলার তদন্ত চার মাসে শেষ করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেলেন হাইকোর্ট। মামলাটি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন।

এজাহার থেকে জানা যায়, যমুনার বহুমুখী সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মার্গারেট ওয়ান লিমিটেড নিয়োগ পায়। যোগাযোগমন্ত্রীর থাকাকালে নাজমুল হুদা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে তার স্ত্রী সিগমা হুদার মালিকানাধীন খবরের অন্তরালে পত্রিকার ব্যাংক হিসেবে জমা দিতে বলেন। ঘুষের টাকা না দিলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাতিল এবং কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলে হুমকি দেন তিনি।

পরে প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকায় খান্ত হন নাজমুল গুদা ও সিগমা হুদা। ২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মার্গারেট ওয়ানের প্রাইম ব্যাংকের মতিঝিল শাখার চেকে ৬ লাখ টাকা জমা করা হয় সিগমা হুদার ব্যাংক হিসাবে।

২০০৮ সালের ১৮ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল হোসেন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় নাজমুল হুদা ও সিগমা হুদার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্যে লাভবান হওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।