প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > সিলেট গ্যাস ফিল্ডের অনিয়ম যেন দেখার কেউ নেই

সিলেট গ্যাস ফিল্ডের অনিয়ম যেন দেখার কেউ নেই

সিলেট প্রতিক্ষণ সিলেট শীর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক:সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লি. (এসজিএফএল) হচ্ছে পেট্রোবাংলার একটি প্রতিষ্ঠান। এ সরকারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে দীর্ঘ দিন ধরে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সিন্ডিকেট তৈরী করে ফিল্ডের বিভিন্ন কাজ কোন নিলাম বা টেন্ডার ছাড়াই পছন্দের টিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে নতুন কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের সুযোগ পাচ্ছেনা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেট গ্যাস ফিল্ডড লি. (এসজিএফএল) কর্তৃপক্ষ স্পীডি কর্পোরেশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নীলামের মাধ্যমে ২ বছরের জন্য চুক্তি করে গাড়ি ভাড়া নেয়। কিন্তু এই নীলাম সর্বশেষ ২০১৩ সালে করলেও এখন পর্যন্ত নতুন নীলামের মাধ্যমে আর গাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়নি। এতে করে আর কোন নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নীলামে গাড়ি ভাড়া দিতে পারেনি। ২০১৫ সালে স্পীডি কর্ম্পোরেশনের সাথে গাড়ির চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও অজানা কারণে আর কোন নীলামের আয়োজন করেনি সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লি. কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নই এই চুক্তিতে যে গাড়ির কথা উল্লেখ রয়েছে তা না ব্যবহার করে অন্য গাড়ি দিয়ে কাজ চালাচ্ছে স্পীডি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে খাজা এন্টারপ্রাইজ নামের টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইবরাহীম খাঁ অভিযোগ করে বলেন, সিলেট গ্যাস ফিল্ড ২০১৩ সালে নীলামের মাধ্যমে স্পীডি কর্পোরেশনের কাছ থেকে চুক্তি করে গাড়ি ভাড়া নেয়। চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালে এর মেয়াদ শেষ হলেও নিয়ম বহিঃভুত ভাবে অসাধু কর্মকর্তারা যোগসাজশে আজো এই প্রতিষ্ঠানটির গাড়ি কর্তৃপক্ষ ব্যবহার করে যাচ্ছে। এদিকে খাজা এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও হক এন্টারপ্রাইজ নামের আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একই অভিযোগ।

এ বিষয়ে সিলেট গ্যাস ফিন্ডের উপ-মহা ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আব্দুল কাদিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা আমার কোন বিষয় না। প্রাশাসনিক শাখার সাথে যোগাযোগ করার জন্য তিনি বলেন। সিলেট গ্যাস ফিল্ডের মহা ব্যবস্থাপক শওকত আলী কাদেরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি সেবা সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। সেবা শাখার নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। সিলেট ফিল্ডের ব্যবস্থাপনায় পরিচালক প্রকৌশলী এহছানুল হক পাঠুয়ারীর কাছে মুঠোফোনে অনিয়মের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই দায়িত্বে নতুন এসেছি। বিষয়টি আমি দেখবো। এদিকে সরকারের এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের যদি এমন অবস্থা হয় তবে ভবিষ্যতে প্রতিষ্টানটি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা উধর্¦তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।