প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > সুরত আলীকে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই ও ধর্ষণের সুষ্ঠ তদন্তের দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন

সুরত আলীকে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই ও ধর্ষণের সুষ্ঠ তদন্তের দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন

সিলেট প্রতিক্ষণ সিলেট শীর্ষ

সময়ের ডাক : সিলেটের শাহপরানের ইসলামাবাদে ১১ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় ৭৭ বছরের বয়োবৃদ্ধ সুরত আলীর বিরুদ্ধে সাজানোর মামলার প্রতিবাদে ও ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- সুরত আলী একজন ৭৭ বছরের বৃদ্ধ। তাছাড়া তিনি নানা রোগে আক্রান্ত। একজন বৃদ্ধ লোক কিভাবে ১১ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করতে পারেন। এ ঘটনা সম্পূর্ণ সাজানো ও মিথ্যা। সুষ্ঠ তদন্ত হলে প্রকৃত ধর্ষক বেরিয়ে আসবে। তাই ডিএনএ টেস্ট করে প্রকৃত ধর্ষককে খুঁজে বের করে ও সুরত আলীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তির দাবি করেন।

মাববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ভুমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মুজিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি শেখ ছুরত আলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ধর্ষণ মামলা করিয়েছে। পরে শেখ সুরত আলীর দায়েরকৃত একটি মামলায় আসামী মুজিবুর রহমান আপোষ মিমংশার প্রস্তাব দেন। আপোষে অস্বীকৃতি জানালে মুজিবুর রহমান তার কেয়ার টেকার আলামিনকে দিয়ে ৭৭ বছরের বৃদ্ধ সুরত আলীর উপর নাবালিকা মেয়েকে দিয়ে ধর্ষণের মামলা দেন। বক্তারা মুজিবুর রহমানের চক্রান্ত থেকে বেরিয়ে আসতে ও প্রকৃত ধর্ষককে খুঁজে করতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে শেখ ছুরত আলী ছেলে দাবি করেন, তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের হুমকী ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন জনৈক মুজিবুর রহমান। তিনি এই হয়রানী থেকে মুক্তি পেতে সরকার ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও জাকির আহমদের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আমির আলী, মনির মাহমুদ, এস এম মিজানুর রহমান, আব্দুল আহাদ, সুফিয়ান আহম্মদ, মুবিন আহম্মদ, জাবেদ, আহম্মদ, হাছান, আহম্মদ, হিমেল, তমজিদ, তুহিন।
এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মোজাম্মেল হোসেন, ওয়াহিদুল্লাহ, ফারুক আহমদ, মুছলিম উদ্দিন, মাহমদ আলী, কবির আহমদ, সাজ্জাদুর রহমান, কুটু মিয়া, সুহেল আহমদ, আশরাফ উদ্দিন, আনা মিয়া, কুদরত মিয়া, জসিম আহমদ, জহির আহমদ, খালেদ আহমদ, হাসিম মিয়া প্রমুখ।