প্রচ্ছদ > মৌলভীবাজার > কমলগঞ্জে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

কমলগঞ্জে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

মৌলভীবাজার সিলেট প্রতিক্ষণ

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সীমান্তবর্তী কুরমা চা বাগানের কুরুঞ্জি এলাকায় চার লাখ টাকা মূল্যের একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করছে বিজিবি।

শনিবার ভোর রাত সাড়ে ৫টায় চা বাগানের জগদীশ রাজধরের বসতঘর থেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুরমা বিওপি’র সদস্যরা মূর্তি উদ্ধার করেন। এঘটনায় বিজিবি’র পক্ষ থেকে কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, বিজিবি’র কুরমা বিওপি’র সদস্যরা ইসলামপুর ইউনিয়নের কুরুঞ্জি গ্রামের জগদীশ রাজধরের বসতঘরে কষ্টিপাথর ক্রয় বিক্রয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। কষ্টি পাথরটি বসতঘরের কাঠের নিচে কালো পলিথিনে মোড়ানো ছিল। বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। ভারতীয় সীমান্তের মেইন পিলার ১৯০৬/১০ এস হতে ৪ কি.মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কুরুঞ্জি এলাকা।

বিজিবি কুরমা বিওপি’র হাবিলদার জালাল আহমেদ জানান, কমলগঞ্জ উপজেলার কুরুঞ্জি গ্রামের জগদিশ রাজধর এর বাড়িতে একটি মূর্তি পাচারের উদ্দেশ্যে কেনা-বেচার জন্য দর কষাকষি চলছে, এমন গোপন সংবাদ পেয়ে কুরমা বিওপি সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মূর্তি পাচারকারীরা ঘটনাস্থলে মূর্তিটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এরপর জগদীশ রাজধরের বসতঘরের কাঠের নিচে কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৩.৮৫০ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গলস্থ ৪৬ ব্যাটালিয়নে নিয়ে আসেন। মূর্তিটির রং কালো, ওজন ৩ দশমিক ৮৫০ কেজি এর উচ্চতা ১২ দশমিক ০৫ ইঞ্চি, প্রস্থ ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে অপরাধ করায় জগদীশ রাজধরের বিরুদ্ধে শনিবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত মূর্তিটি থানা হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল ব্যাটেলিয়ন (৪৬ বিজিবি) এর সি কোম্পানী কুরমা বিওপি’র হাবিলদার মো. জালাল আহমেদ বাদি হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।