প্রচ্ছদ > শীর্ষ সংবাদ > অন্ধকার যুগের যেনো পুনরাবৃত্তি না হয় : এম.এ. মান্নান

অন্ধকার যুগের যেনো পুনরাবৃত্তি না হয় : এম.এ. মান্নান

শীর্ষ সংবাদ সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক ডেস্ক: পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান বলেছেন, পৃথিবীতে বাঙালি রাষ্ট্র একটি, আর তা হচ্ছে এই বাংলাদেশ। আমরা কাউকে অবধাবিত করতে চাইনা, কারণ আমরা অবধাবিত হয়েছি। ইতিহাসকে অস্বীকার করার ক্ষমতা কারও নেই কিন্তু যে নবযাত্রা শুরু হলো তাকে স্বাগত জানিয়ে আমাদের সামনে যেতে হবে। সেই পূরাতন অন্ধকার যুগের যেনো পুনরাবৃত্তি না হয়।

বৃহস্পতিবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের দুই দিনব্যাপি নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়দিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

পরকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা অবশ্যই বৈশ্বিক উন্নয়ন চাই, সড়ক চাই, সেতু চাই, উপগ্রহ চাই, পারমানবিক প্রকল্প চাই, তার চাইতে বড় কিছু চাই, চাই আমাদের আত্মপরিচয়। আমরা আমাদের আত্মপরিচয়ের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি এবং তা পারবো।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমাদের নবীনদের জন্য আমরা যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করছি, তাদের সবার প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া। তোমাদের নিয়েই আমরা আমাদের রাষ্ট্রকে সুন্দর করে গড়ে তুলবো।

দেশের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা রূপপুর পারমানবিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি, সকল জেলার মহাসড়কগুলো চারলেনে আনা হচ্ছে, প্রথম উপগ্রহের পর আবার দ্বিতীয় উপগ্রহ ছাড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, একই সাথে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পর তৃতীয় যমুনা সেতু করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

বক্তব্যের পর পরিকল্পনামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ভ্রাম্যমান টঙঘর বাদ দিয়ে নতুনভাবে ডিজাইন করে শাবি উপাচার্যকে পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর আহ্বান জানান। নবীন শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গিফ্ট হিসেবে এই নতুন অবকাঠামোগগুলোকে উৎসর্গ করেন তিনি।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস, ভর্তি কমিটির সভাপতি শামসুল হক প্রধান, সদস্য সচিব জহীর উদ্দিন আহমেদ, ছাত্রকল্যাণ উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার, রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র, সিলেবাস, মাইগ্রেশন ফর্ম এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র দেয়া হয়।

এদিকে নবীন শিক্ষার্থীদের আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।