প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > ৭ বলে ওভার! ৭ উইকেটে জয়

৭ বলে ওভার! ৭ উইকেটে জয়

খেলাধুলা

স্পোর্টস ডেস্ক: সময়টা টি-টোয়েন্টির মতো সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের। ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণেই মেতে আছে ক্রীড়ামোদীরা।

এদিকে চলছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া মেতে আছে বিগ ব্যাশে।

তবে জমে ওঠা বিপিএলের চলতি আসর অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবারের বিপিএলের মান নিয়ে হাসিঠাট্টা চলছে।
আম্পায়ারিং, সম্প্রচার, উপস্থাপনা ও ধারাভাষ্য নিয়ে প্রশ্ন ছুড়েছেন বিশ্লেষকরাও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই অস্ট্রেলিয়ায় চলমান ক্রিকেটকে নিত্যনতুন আইডিয়া দিতে সিদ্ধহস্ত বিগ ব্যাশ লিগ থেকে শিক্ষা নিতে বলছেন বিপিএলকে।

আর বিপিএলকে যখন বিগ ব্যাশের দিকে তাকাতে বলা হলো, তখনই অস্ট্রেলিয়ার এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও ঘটে গেল এক হাস্যকর ভুল, যা বিপিএলে এখনও হয়নি।

গতকালই সিডনি সিক্সার্স ও পার্থ স্কর্চার্সের মধ্যকার দিনের শেষ ম্যাচে ঘটেছে এ হাস্যকর কাণ্ড।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চার-ছয়ে পূর্ণ ইনিংস করে ১৭৬ রান করে সিডনি সিক্সার্স।

জবাবে পার্থ স্কর্চার্সের দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে বেন ডোয়ার্শুইসের দ্বিতীয় ওভারে বল গুনতে ভুল করেন মাঠের দুই আম্পায়ার জিওফ জশুয়া ও সাইমন ফ্রাই।

ফলে ওভারটি ৭ বলে শেষ হলো।

ঘটনার শেষ এখানেই নয়, ডোয়ার্শুইসের সপ্তম বলটিতে কাট করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন ব্যাটসম্যান মাইকেল ক্লিঙ্গার।

আউট নিশ্চিত করতে তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন মাঠের দুই আম্পায়ার। তখনই ধরা পড়ে তাদের ওই ভুল।

তবে এমন ভুলেও সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি।

ক্রিকেটের ১৭.৫.২ ধারা অনুযায়ী ‘আম্পায়ার যদি বল গণনায় ভুল করেন, তবে আম্পায়াররা যেটি ধরেছেন, সে অনুযায়ী ওভার হবে।’

ব্যাপারটিতে সমালোচনায় বেশি পড়তে হয়েছে দুই আম্পায়ারসহ স্কর্চার্সের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফট ও ক্লিঙ্গারকেভ

ব্যাপারটি ধরতে না পারা নিয়েই এ সমালোচনা।

তবে তাদের পক্ষ হয়ে কোচ অ্যাডাম ভোজেস বলেছেন, ‘এ দায়িত্ব আম্পায়ারদের, ওভারে কয় বল হলো এটি দেখা আম্পায়ারের কাজ। ব্যাটসম্যানের নয়।’

তবে এমন ভুলে উইকেট খোয়ালেও স্কর্চার্সের জয় আটকাতে পারেনি সিডনি সিক্সার্স। ১০ রানে ক্লিঙ্গারের বিদায়ের ধাক্কা সামলে নিয়ে ৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে স্কর্চার্স।

৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জয় ও ৭ বলের ওভারের খেলা যেন সাত সংখ্যায় মজেছিল ম্যাচটি।