প্রচ্ছদ > শীর্ষ সংবাদ > ফেঞ্চুগঞ্জ বেইলী ব্রিজে মৃত্যুর মিছিল, নজর নেই কর্তৃপক্ষের

ফেঞ্চুগঞ্জ বেইলী ব্রিজে মৃত্যুর মিছিল, নজর নেই কর্তৃপক্ষের

শীর্ষ সংবাদ সিলেট প্রতিক্ষণ

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের ফেঞ্চুগঞ্জ ফরিদপুর নামক স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ব্যস্ততম এই সড়কে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ছোট-বড় গাড়ি সিলেট-মৌলভীবাজার আসা যাওয়া করে। দীর্ঘদিন থেকে এ সেতুতে সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে ‘বিপদজ্জনক’ সাইনবোর্ড লাগানো ছাড়া কোন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের ফরিদপুর নামক স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙ্গে ধীরে ধীরে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরে এই ব্রিজটির উপর আরেকটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার না হওয়ায় এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের দুর্ভোগ ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জের ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অদূরে এই বেইলী সেতুর স্টিলের পাটাতন ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রায়ই ওয়েল্ডিং করে জোড়াতালির মাধ্যমে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সেতুর পাটাতন ও উভয় পাশের এপ্রোচ সড়ক বিপদজনক হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো পাত্তা দিচ্ছেন না সড়ক ও জনপথ বিভাগের কেউই। তাই ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী। সওজের মরণফাঁদে ঘটেই চলেছে একেরপর এক দুর্ঘটনা। দেখার যেন কেউ নেই। এক বছরে প্রাণহানি ঘটেছে ৫ জনের। দুর্ঘটনায় আহত হয়ে পুংগুত্ববরণ করেছেন ১৫-২০ জন।

গত মঙ্গলবার রাতে এই বেইলি ব্রিজে একটি কার দুর্ঘটনায় দুমরে মুছরে গেলেও রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা। দুদিন ব্যবধানে গত বৃহস্পতিবার রাতে আরেকটি কার দুর্ঘটনায় দুমরে মুছরে যায়। গাড়িতে থাকা ৩ জন যাত্রী গুরুত্বর আহত হন। স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের দ্রুত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এই ব্রিজে প্রতিদিনই এরকম দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়রা বলেন, প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে এই ব্রিজে। ব্রিজটি এভাবে থাকলে আরো দুর্ঘটনার ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। কলেজ পড়ুয়া শফিকুল ইসলাম বলেন, ব্যস্ততম এই মহাসড়কে এরকম একটি ব্রিজে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। আর কত প্রাণ ঝরলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের টনক নড়বে।

এ ব্যাপারে জানতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের এডিশনাল চীফ খন্দকার গোলাম মোস্তফার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।