প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকৃত ভূমিতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে না যেতে মেয়রের কাছে আবেদন

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকৃত ভূমিতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে না যেতে মেয়রের কাছে আবেদন

সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক ডেস্ক: : হাইকোর্টের স্থগিতাদেশকৃত ভূমিতে অনুষ্ঠিতব্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান না করার অনুরোধ জানিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন এক ভূক্তভোগী। তার নাম রঞ্জু চন্দ্র দাস। তিনি মোগলাবাজার থানার সেনগ্রামের মৃত রমেশ চন্দ্র দাসের পুত্র। বুধবার তিনি এ আবেদন জানান।

আবেদন পত্রে রঞ্জু উল্লেখ করেন, সিলেট সদর উপজেলার মিউনিসিপ্যালিটি মৌজার জেএলনং-এসএ ৯১, এসএ ডিপি ১৪৩/৭১৪ ছাপা ৯১১, নামজারি খতিয়ান নং ৫৫৬১ বিএস খতিয়ান নং ২৮৭০১, এসএ দাগনং ৫৫৭৮, বিএস দাগ নং ২৮৬১৪ নম্বর ভূমিতে মোট ০.১৩২৫ একর জায়গা রয়েছে।

মায়া রাণী দাসের বিরুদ্ধে রঞ্জুর দায়ের করা ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলার রায় ঘোষণা করা হয় ২০১০ সালের ১৯ অক্টোবর। রায়ে মায়া রাণী দাস গুপ্তকে ২ বছরের কারাদন্ডের আদেশ ঘোষণা করেন সিলেটের দ্বিতীয় জেলা যুগ্ম জজ আদালত। এ রায় ঘোষণার পর মায়া রাণী দাস গুপ্ত টাকা না দিয়ে এই ভূমি ক্রোক হতে পারে, এমন আশংকায় তার নিজের মানুষ দিয়ে জগবন্ধু আখড়া নাম দিয়ে আমমোক্তারের মাধ্যমে দানপত্রের দলিল তৈরি করেন। এসব কাজে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন নগরীর লামাবাজার ছায়াতরু ৩১ এলাকার মৃত পরমানন্দ পাল চৌধুরীর পুত্র সুনিল চন্দ্র পাল। আবেদনে তিনি সুনিলকে ‘ভূমিখেকো’ হিসাবে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি আরও .০৭ শতক ভূমি মায়া রাণীর মেয়ে প্রতিমা রাণী দাস গুপ্তের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, টাকা আদায়ে এই ভূমি ক্রোক পরবর্তী নিলামের জন্য হাইকোর্টে গেলে আদালত ৫০৩ (পিএম)/২০১৪নং মামলায় ২০১৪ সালের ৬ জুন স্থীতাবস্থা জারি করেন। মায়া রাণী সুনিলকে ব্যবহার করে ঐ ভূমির উপর মন্দির স্থাপন করেন। তিনি এখানে নিয়মিত ভজন কীর্তন করছেন। শুধু তাই নয়, এই ভূমি দখলে রাখার জন্য মায়া রাণী ও ভূমিখেকো সুনিল চন্দ্র হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে এখানে ৪দিন ব্যাপী কীর্তন আয়োজন করার পাঁয়তারা করছেন।

সিলেটের মেয়রের প্রতি রঞ্জু চন্দ্র দাস-এর আবেদন, ভূমি দখলে রাখার হীন চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতেই এই অনুষ্ঠান। ভূমিখেকো এই চক্রটি এতই শক্তিশালী ও বেপরোয়া যে তারা হাইকোর্টের আদেশও অমান্য করছে। এই অনুষ্ঠানে যেনো আরিফুল হক চৌধুরী যোগদান না করেন বা কোন বেআইনি সহযোগিত না দেওয়ারও প্রত্যাশা করেন তিনি।