বিশ্বনাথে আটক ১৭ জামায়াত নেতা আদালতে প্রেরণ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি ::বিশ্বনাথে গতকাল রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ‘গোপন বৈঠক’ থেকে আটককৃত ১৭ জামায়াত নেতাকে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় প্রিজন ভ্যানে করে পুলিশি পাহারায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগ এনে গতকাল রোববার রাতে বিশ্বনাথ থানার এসআই সুলতান উদ্দিন বাদী হয়ে আটককৃতরাসহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরও ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আটককৃতদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে প্রেরণ করলো পুলিশ।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা বলেন, আটককৃতরা সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা ও নাশকতামূলক কর্মকান্ড করার জন্য গোপনে সভা করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গতরাতে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের গন্ধারকাপন গ্রামের উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ইমাদ উদ্দিনের বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
জামায়াতের শীর্ষ ওই ১৭ নেতাকে আটক করে পুলিশ। এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৮টি জিহাদী বই, ২টি চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, ১টি সাদা খাতা ও চাঁদা আদায়ের তালিকা
উদ্ধার এবং তাদের ব্যবহৃত ৭টি মোটরসাইকেল জব্দ করে।

আটককৃতরা হলেন, সিলেট জেলা দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা লোকমান আহমদ, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমীর আবদুল কাইয়ুম, নায়েবে আমীর ইমাদ উদ্দিন,
সেক্রেটারী মতিউর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী আবদুল মুকছিত, উলামা বিভাগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাবেক সেক্রেটারী এ এইচ এম আখতার ফারুক, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি এখলাছুর রহমান, অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর জাহেদুর রহমান, সেক্রেটারী কামাল আহমদ, দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি বাবুল মিয়া, সেক্রেটারী তালেব আহমদ গোলাপ, লামাকাজী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নূরুল ইসলাম, সদস্য আবদুস শহিদ, রামপাশা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবদুন নূর, সেক্রেটারী রজব আলী ও খাজাঞ্চী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবদুল মালেক।