গোলাপগঞ্জে লুট হওয়া বন্দুক উদ্ধার করেছে পুলিশ

সময়ের ডাক: সিলেটের গোলাপগঞ্জে গভীর রাতে ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া বন্ধুক উদ্ধার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার পূর্ব ফাজিলপুর গ্রামের একটি মুর্তার ঝুপড়ি থেকে (পুলিশ লাইসেন্সধারী ১নলা বন্দুক) এ বন্দুকটি উদ্ধার করা হয়। বন্দুকের সাথে ১টি কার্তুজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের মৃত তারা মিয়া খানের ছোট ভাই মাহতাব উদ্দিন খানের লাইসেন্সধারী বন্দুক আজ ভোরে গোলাপগঞ্জ সদর ইউপির পূর্ব ফাজিলপুর গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার বাড়ির মুর্তার ঝুপড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর ওই বন্দুকে ১টি কার্তুজ পাওয়া যায়।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা অপরাধীদের ধরতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে গোলাপগঞ্জ ইউপির সদর ইউপির রানাপিং (ফাজিলপুর) গ্রামের মরহুম তারা মিয়া খানের বাড়িতে ১৫/২০জনের সংঘবদ্ধ মুখোশধারী ডাকাত দল ঘরের সামনের দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় ডাকাতদের বাধা দিলে গৃহকর্তা মরহুম তারা মিয়া খানের ছোট ভাই মো. মাতাব মিয়া খান, মাতাব মিয়ার স্ত্রী হেনা বেগম, ছোট মেয়ে ইমরানা খান, ছেলে মাছুম আহমদ আহত হন। পরে স্টিল আলমারি, ওয়ারড্রব, ক্যাবিনেটের তালা ভেঙে সমস্ত মালামাল তছনছ করে। এসময় আলমারিতে সংরক্ষিত লাইসেন্সধারী বন্ধুক, ৩রাউন্ড কার্তুজ, ১১ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০হাজার টাকা, বিভিন্ন ধরনের ৭টি স্মার্টফোনসহ ১টি ল্যাপটপ নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় মাহতাব উদ্দিন খানের ছেলে ফজলুল করিম খান মাছুম (৪৫) বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামী করে ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।