হাসিনা-মোদিকে বরণ করতে প্রস্তুত কুলাউড়া

সময়ের ডাক  ডেস্ক : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের মুহূর্তটি বরণ করতে প্রস্তুত কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন। আর মাত্র ঘন্টাখানেক বাদে এই আনন্দক্ষণ উপভোগ করবে কুলাউড়াবাসী। আর এই উদ্দেশ্যে কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন সেজেছে নতুন সাজে। তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ ও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে ‘ফলক নির্মাণ’। শহরজুড়ে শোভা পাচ্ছে বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর যৌথ ছবি সংবলিত বড়-বড় ফেস্টুন। অনুষ্ঠান সফল করতে পুলিশের পাশাপাশি সভাস্থলে দায়িত্বে পালন করছে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি)।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে পাঁচটায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দিল্লিতে প্রজাতন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুই দেশের মধ্যে রেললাইন পুনর্বাসনসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন প্রকল্প কাজও রয়েছে যা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনে উদ্বোধন করা হবে। এসময় আখাউড়া জংশনে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ও কুলাউড়া জংশনে জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি উপস্থিত থাকবেন।

ইতোমধ্যে রেললাইন পুনর্বাসনের কাজ ও কুলাউড়া জংশন স্টেশন প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী মঞ্চ পরিদর্শন করে গেছেন রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেন, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. তোফায়েল ইসলাম ও রেল পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খন্দকার।

কুলাউড়ায় জংশনে উদ্বোধনকালে জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাব উদ্দিন ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন, জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আ.স.ম কামরুল ইসলামসহ রেলওয়ে বিভিন্ন উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তাগণ।

এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম জানান- ‘সব প্রস্তুতি আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ উদ্বোধনীর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি দুটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার ক্ষোত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। আর জুড়ী ও বড়লেখার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্র যুক্ত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মৌলভীবাজার জেলা আ.লীগের সভাপতি নেছার আহমদ বলেন-‘এটা আমাদের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দাবিটাকে গুরুত্ব দিয়ে ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে শেষ পর্যন্ত সফল বাস্তবায়ন হচ্ছে আজ। এতে তিনটি উপজেলা বাণিজ্যিক দিক দিয়ে সম্পৃদ্ধ হবে।’