যাত্রাবাড়ী’র সেই ওসি অবনী শংকর এখন বিয়ানীবাজারে

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি :: ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার অভিযুক্ত এবং সেই সময়ের আলোচিত-সমালোচিত ওসি অবনী শংকর কর এখন বিয়ানীবাজার থানায়।বুধবার ওসি অবনী শংকর বিয়ানীবাজার থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগ দেন। ওইদিন দুপুরে বদলী হয়ে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে যোগ দেয়া ওসি শাহজালাল মুন্সীর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন ওসি অবনী।উল্লেখ্য, বিয়ানীবাজার থানায় যোগদানের এক বৎসর পূর্ণ হওয়ার আগেই পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বদলীর আদেশ আসে বিয়ানীবাজার থানার ওসি শাহজালাল মুন্সীর উপর। ওসি শাহজালাল মুন্সী বিয়ানীবাজারে ব্যবসায়ী সইবন হত্যাকান্ড, ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় আসামীদের দ্রুত সময়ে আটক করে ব্যাপক প্রশংসিত হোন। এছাড়াও বিয়ানীবাজার থানার মসজিদকে সংস্কার করে একটি আকর্ষণীয় মসজিদে রূপান্তরিত করে আলোচনায় চলে আসেন তিনি । কিন্তু বৎসর পূর্ণ হওয়ার আগেই তার উপর আকস্মিকবদলীর আদেশ আসে এবং তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় ওসি অবনী শংকর করকে।
ওসি অবনী শংকর ১৯৯৮ সালে এস.আই হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। ২০১৪ সালে পদোন্নতি পেয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার ওসি (ডিএমপি) হিসেবে যোগ দেন তিনি।
সেখানে দীর্ঘ ৪ বৎসর দায়িত্ব পালন করেন ওসি অবনী৷ সে সময় বিভিন্ন কর্মকান্ডে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন তিনি।

বিশেষ করে যাত্রাবাড়ীতে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে নারীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মামলাও দায়ের হয় ওসি অবনী শংকর করের উপর। এনিয়ে তখন ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়ও সংবাদ প্রকাশ হয়। যার জন্য ওই বছরই

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানার ওসি হিসেবে বদলী করা হয় তাকে। সেখানে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ওসি অবনী শংকর কর দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তাকে পুনরায় বদলী করে ডিএমপিতে নিয়ে আসা হয়। গত চার মাস ডিএমপিতেই ছিলেন অবনী শংকর । সেখান থেকেই তিনি বিয়ানীবাজার থানার নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেন।
ওসি অবনী শংকর করের বাড়ি মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার ছোট উদাস গ্রামে।