প্রচ্ছদ > হবিগঞ্জ > নবীগঞ্জের মাদক বিক্রেতা বিরোদ্ধে চেয়ারম্যান মেম্বার সহ এলাকাবাসী লিখিত পুলিশ সুপার বরাবরে

নবীগঞ্জের মাদক বিক্রেতা বিরোদ্ধে চেয়ারম্যান মেম্বার সহ এলাকাবাসী লিখিত পুলিশ সুপার বরাবরে

হবিগঞ্জ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নেশার কারণে ৪ বছরের কন্যা সন্তান সহ স্ত্রী-কে তালাক! টাকার অভাবে তার নানার বাড়ির গাছ-পাল, পুকুরের মাছ, ও ঘরের আসবাবপত্র বিক্রি সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে মোবাইল, স্বর্ণ, রূপা লুটের অভিযোগ পাওয়া যায়! পরে ঐ সব অন্যত্র বিক্রয় করে সিএনজি ও অট্রোরিক্সা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে গিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাজাঁ ক্রয় করে সেবন করে আসার পথে অট্রোরিক্সা বা সিএনজি যোগে এসে তাদের বাড়া না দিয়ে মারধর করে চালকের কাছ থেকে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও টাকা পয়সা নিয়ে বিদায় করে দেয়। এসবের প্রতিবাদ যে- ই করে তার উপর হামলা ও মামলা করে ঐ মাদক সেবি। এক পর্যায়ে প্রতিবাদকারী তার ২ মামা ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে মাতা ফাটিয়ে গুরুত্বর আহত করে হাসপাতাল পাঠায়। এবং বাজার এলাকা সহ আরো অনেকেরই উপর হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবেশেষে স্থানীয় চেয়ারম্যান- মেম্বার, আত্মীয়-স্বজন অতিষ্ঠ হয়ে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে গণস্বাক্ষর করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
কয়েকটি মামলার বিবরন ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানাযায়, হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১০নং দেবপাড়া ইউনিয়নের জালালসাপ গ্রামের নুরুল হোসেন নিলু প্রায় ৩৬ বছর পূর্বে বিয়ে করেন, আউশকান্দি ইউনিয়রে উত্তর দৌলতপুর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী লাল (মুন্সি) মিয়া’র কন্যা তাহমিনা বেগম-কে। বিয়ের এক বছর পর তাদের একটি পুত্র সস্তান জন্ম নেয়। তার নাম দেওয়া হয় মোবারক হোসেন শিপন। সন্তান জন্মের ২ মাস পর তার মা তাহমিনা বেগম ঐ সস্তানকে নিয়ে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এবং সেখানেই শিপনকে লালন পালন করেন। এবং তার বয়স ২ বছরের মাতায় শিপনের মা মারা যান। এরপর তার নানা-নানী তাকে লালন পালন ও বরণ পোষণ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করতে লাগেন। এবং তার নানা তার নামে আউশকান্দি বিশ্বরোড সংলগ্ন কোটি টাকা মূল্যের জায়গা দেন। পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য তার নানা-নানী ও খালা সাইপাস পাঠান। সেখানে প্রায় বছর খানেক থাকার পর সে মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়ে। এবং সেদেশের পুলিশ মাতাল অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্ররন করেন। অনেক দিন হাজতবাস করে বাংলাদেশে ফেরত আসে। বাংলাদেশ আসার পর শিপনের আত্মীয়- স্বজন তাকে বিয়ে করান পাশ্ববর্তী ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নের ফাদুল্লাহ গ্রামের সমসুর নুর এর কন্যা রিপা আক্তারকে। তাদের দাম্পত্ত জীবনে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। যার নাম রাখা হয় তাহমিনা হোসেন সুমাইয়া। বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই শিপন তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত থাকতো। এমনকি তার স্ত্রীর সু-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তার স্ত্রীকে রক্ষা করেন। প্রতিদিনই সে মাদক সেবন করে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে এবং বাজারে গিয়েও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ও দোকান মালিকদের সাথে অশুভ আচরন করার অভিযোগ অহরহ রয়েছে। এ নিয়ে শিপনের নানার বাড়ির লোকজনের কাছে বিচার দিলে তারা শিপনকে কিছু জিজ্ঞাস করলেই তাদের উপর উল্টো চলে হামলা ও মামলা। এসবের ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পাননা। এক পর্যায়ে মাদকের টাকার জন্য তার স্ত্রীকে প্রচন্ড চাপ দেয় এবং মারধর করে। এবং রাতে বালিশের নিচে চুরি রেখে বলে, যদি আমার কথা রাখিস না তাহলে তকে আজ জবাই করে ফেলব! এমন কথা শুনে তার স্ত্রী কৌশলে সন্তানকে নিয়ে ঘরের পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। শিপন তাকে ঘরে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোজাখোজি করে সমাজে প্রচার করতে থাকে তার স্ত্রী ঘরের সকল মালামাল ও টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে গেছে। আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় মুরুব্বিয়ান তার স্ত্রীকে বুঝিয়ে আবার তার শশুর বাড়ি থেকে আনেন। এর কিছুদিন পর তার স্ত্রীকে চাপ দেয় যে যৌতুকের জন্য! না দিতে পারলে তাকে মেরে ফেলবে হুমকি দেয়। এতে সে অপরগতা প্রকাশ করলে তাকে আরো মারধর করে। স্বামীর জ্বালা যন্ত্রনা সইতে না পেরে সে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। সেখানে গিয়ে তার বাবাকে নিয়ে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসের ১৩ তারিখ একটি মামলা করে। এ মামলার খবর পেয়ে ঐ মামলার থেকে রক্ষা পেতে এর ৫ দিন পর শিপন হবিগঞ্জ নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে ১৮ অক্টোবর ২০১৬ইংরেজী তারিখে তার স্ত্রীকে তালাক দেয়! এখানে প্রশ্ন হচ্ছে এই তালাক কতটুকু যুক্তিসংগত বা আইনের কাছে তকটুকু গ্রহনযোগ্য।
এর পূর্বে ১০ অক্টোবর ২০১৬ইংরেজী তারিখে উত্তর দৌলতপুর গ্রামের কয়েকজন নারী- পুরুষকে আসামী করে হবিগঞ্জ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ০২ এ ৬৪৮/১৮ (নবী) মামালা দায়ের করে শিপন।
অবশেষে তার নানার বাড়িতে আবার এসে বাড়ির বড় বড় বিভিন্ন ধরনের গাছ পালা, পুকুরের মাছ ও তার নামীয় জমি বিক্রি করে মাদক সেবন করতে থাকে। এসব এর কারণে তার নানা-নানী, খালা আমেরিকা চলে যান। এবং টাকা পয়সা দেওয়া বন্ধ করে দেন। এ পর্যায়ে নেশার টাকা না পেয়ে রিক্সার ডাইভার ও সিএনজি ড্রাইভার দের নিয়ে যায় মাদকের স্পটে যায়। এবং মাদক সেবনের পর তাদেরকে মারধর করে তাদের মোবাইল ও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে যায়। এ নিয়ে অনেকেরই কাছে বিচার প্রার্থী হন। কিন্তু কেউ কোন সুরাহা করতে পারেন নি। এ ব্যাপারে স্থাণীয় ইউপি সদস্য খালেদ আহমমদ জজ কথা বললে তাকেও হেনস্থা করে।
অবশেষে গত আগষ্ট মাসের ১০ তারিখ বুধবার রাত ৮টার সময় আউশকান্দি বাজার থেকে দেবপাড়া ইউনিয়নের সিট ফরিদপুর গ্রামের মৃত আব্দুর নুর এর পুত্র আবুল মিয়ার রিক্সায় গোপলার বাজার ষ্টেন্ডে যায়। সেখান থেকে একটি টং থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় করে। এবং আসার পথে উলুকান্দি মুচি বাড়ির নিকট রিক্সা থেকে নেমে ঐ রিক্সা চালককে বেধরক মারপিট করে তার কাছ থেকে নগদ ২হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন রেখে বিদায় করে দেয়। এবং রিক্সা চালক আবুল মিয়া বাজারে তার মামা উত্তর দৌলতপুর গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন এর কাছে কান্না জড়িত কন্ঠে বিচার দিয়ে তার টাকা ও মোবাইল ফোন দাবী করে। এতে তিনি তাকে শান্তনা দিয়ে বলেন, আমি তাকে খুজে বের করে তুমার টাকা ও মোবাইল দেব। এক পর্যায়ে ঐদিন রাত ৯টার দিয়ে আউশকান্দিস্থ রূপালী ব্যাংকের সামনে শিপন আড্ডা দিতে দেখতে পান জয়নাল আবেদীন। এতে তিনি শিপনের সাথে কথা বলেন যে, রিক্সার চালকের কাছ থেকে তুই কেন টাকা ও মোবাইল ফোন আনলে? সে আমার কাছে বিচার দিয়েছে। তুই যদি এনে থাকিস তাহলে দিয়ে দে। এ কথা বলা মাত্রই তার হাতে থাকা মেগ লাইট দিয়ে তার মামা জয়নাল আবেদীনের মাতায় কয়েকটি আঘাত করে। এতে তিনি মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। এবং সেখানেই তিনি রক্তাক্ত হয়ে লাল হয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এবং তিনি কিছুটা সুস্থ্য বাড়িতে আসলে এলাকাবাসীকে এ বিষয়টি অবগত করেন। পরে এলাকাবাসী ও চেয়ারম্যান- মেম্বার- গণস্বাক্ষর করে গত ২০ আগষ্ট ২০১৮ইংরেজী তারিখে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এবং সদয় অনুলিপি প্রেরন করেন, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবীগঞ্জ, চেয়ারম্যান আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ।
এ ব্যাপারে দেশ ও এলাকার যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে মোবারক হোসেন শিপনকে আইনের আওতায় আনলে পাওয়া যাবে মাদকের বিশাল গডফাদারদের তালিকা। তাই প্রশাসনের উধর্বতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন আউশকান্দি তথ্যা নবীগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ।

নবীগঞ্জ উপজেলার তাহিরপুর মাদ্রাসায় প্রিন্সিপালের একি কান্ড? এ নিয়ে ফেইসবুকের তুলপাড় চলছে
ছবি সংযুক্ত
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ উপজেলার তাহিরপুর এন.ই. আলিম মাদ্রাসা গভর্নিং বডি নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে ১ম স্থানে বিজয়ী সদস্য কে ২য় স্থানে বিজয়ী ও ২য় স্থানের বিজয়ী সদস্য কে ১ম স্থানে বিজয়ী দেখিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে মাদ্রাসা গভর্নিংবডির সদস্যদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টির পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি ও পক্ষ- বিপক্ষ তৈরি করে চরম বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দাঙ্গা হাঙ্গামা সংঘটিত তৈরি করে শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট করে লংকাকান্ডের ঘটনায় জন্য মাদ্রসার প্রিন্সিপাল কে দায়ী করছেন এলাকবাসী। মাদ্রাসা গভর্নিংবডির নির্বাচিত ভুক্তভোগী সদস্য আবুল কালাম আজাদ এ প্রতিনিধি কে জানান, গত ৪ঠা জুন’২০১৮ইংরেজি তারিখে সোমবার তাহিরপুর নয়মৌজা ইত্তেফাকিয়া আলিম মাদ্রাসা গভর্ণিং বডি’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, দাতা সদস্য ও আলিম স্থরের অভিভাবক সদস্য, ইবতেদায়ী স্থরে অভিভাবক সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য, আলিম ও দাখিল স্থরে ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য গন নির্বাচিত হলেও মাধ্যমিক স্থরে অভিভাবক সদস্য পদে প্রার্থী সংখ্যা অধিক হওয়ায় ৪জুন এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব সাদেক হোসেন প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনে ৩জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে আমি আবুল কালাম আজাদ, মুস্তাহিদ মিয়া ও মোঃ আতা মিয়া।
স্বতস্ফুর্তভাবে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সকল প্রার্থী, তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টগন এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও সাংবাদিকদের এর সম্মুখে ভোট গননা শেষে সকল প্রার্থীর স্বাক্ষর আদায়োত্তর নির্বাচনী ফলাফল ঘোষনা করে সকল প্রার্থী, তাঁদের নির্বাচনী এজেন্ট, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও নিরাপত্তার দায়িত্বরত নবীগঞ্জ থানা পুলিশকে ফলাফল তালিকা হস্তান্তর করেন সংশ্লিষ্ঠ প্রিসাইডিং অফিসার। এবং এ নির্বাচনী ফলাফলে আমি আবুল কালাম আজাদ (ছাতা প্রতিক) ১২৪ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করি এবং মুস্তাহিদ মিয়া (আনারস প্রতিক) ১১১ভোট পেয়ে ২য় স্থান অধিকার করেন এবং মোঃ আতা মিয়া (দোয়াত কলম) ১০৫ ভোট পেয়ে ৩য় ন্থান অধিকার করেন। কিন্তু যেহেতু ৩জন প্রার্থীর মধ্যে ২জন বিজয়ী হবার বিধান রয়েছে সেহেতু আমি আবুল কালাম আজাদ ১নং ও মুস্তাহিদ মিয়াকে ২নং বিজয়ী এবং মোঃ আতা মিয়াকে ৩নং হওয়ায় বিজিত অর্থাৎ পরাজিত দেখানো হয়। এর পরবর্তিতে যথানিয়মে অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করে প্রথম সভা করা হয়। এ সময় প্রিন্সিপাল তাড়াহুড়ো করে আমার ও অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিত দরখাস্ত নিয়ে নেন। পরবর্তীতে গত ১১ আগষ্ঠ ২০১৮ইং তারিখে গভর্ণিং বডি’র ২য় সভায় উপস্থিত হাজিরা খাতায় দস্তখত প্রদানকালে আমার (আবুল কালাম আজাদের) নজরে আসে। যে আমার নাম ২ নাম্বারে এবং ১নাম্বারে ২য় স্থানে বিজয়ি হওয়া মুস্তাহিদ মিয়াকে ১নাম্বার দেখানো হয়েছ। এসময় বিষয়টি প্রিন্সিপালের নিকট আমি জানতে চাইলে, সভায় উপস্থিত সদস্য সদর উদ্দিন চৌধুরী রেজুলেশন পড়ার জন্য প্রিন্সিপাল কে অনুরোধ করলে নাম নিয়ে সিরিয়াল প্রতারনা ধরা পড়ে। এতে সাথে সাথে আমরা গভর্নিং বডির সকল সদস্য তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে প্রিন্সিপাল- আফজাল হোসেন তালুকদার নানান ধরনের টালবাহানা ও প্রতারণামুলক জবাব দিতে থাকেন। প্রিন্সিপ্যাল প্রতারনা করে নির্বাচনে প্রথম স্থান অধিকার কারী আমি আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে যায়, এবং ২য় স্থান অধিকারকারী মুস্তাহিদকে প্রথম স্থান দিয়ে দেয়। এ সময় কমিটির সভায় আমি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে কমিটির সকল সদস্য আমার সাথে একই ভাবে প্রিন্সিপালেরর এই ঘৃন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানালে ও এতে পক্ষ- বিপক্ষ তৈরি হয়। এনিয়ে এলাকায় তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে ও আলোচনা সমালোচনা চলছে। যে কোন সময় এ নিয়ে এলাকায় খুন-খারাপি, দাঙ্গা-হাঙ্গামার মতো ঘটতে পারে। তাই এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার লোকজন বিষযটি আইনগতভাবে মীমাংসার জন্য চেষ্টা করতে প্রিন্সিপাল কে অনুরোধ করলে তিনি এর কোন সমাধান করেন নাই। এছাড়া গভর্নিং বডি’র সদস্য বৃন্দ প্রিন্সিপাল আফজাল হোসেন তালুকদার কে বারবার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তার কোনো সুষ্ঠু জবাব দিতে ও তিনি পারেন নাই, বরং তাঁর স্বভাবসুলভ প্রতারনা ও ধোঁকাবাজির দ্বারা তা এড়িয়ে যান। প্রিন্সিপাল আফজাল হোসেন তালুকদারের এহেন কর্মকান্ডে আমার (আবুল কালাম আজাদ) ও গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ সহ ছাত্র ছাত্রী অভিভাবক এমনকি সর্ব সাধারনের মধ্যে ধারনা জন্ম নিয়েছে যে প্রিন্সিপাল কেবল গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে আমার নাম সিরিয়াল নিয়েই ধান্দ্ববাজি করেননি মাদ্রাসার যাবতীয় বিষয়াদী নিয়েই মনে হয় এধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন? একান্ত আলাপকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলার পর আবুল কালাম আজাদ আরো জানান যে, প্রিন্সিপাল মাওঃ আফজাল হোসেন তালুকদার সাহেবের এ সংক্রান্ত সমুহ বিষয়াদি নবীগন্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাদেক হোসেন কে মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন। এলাকাবাসী সহ মাদ্রাসার শুভাকাংখী তথা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আইনী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১৪ আগষ্ট ১টা ৫১ মিনিটের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মাদ্রাসা গভর্নিংবডির ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ তাহিরপুর মাদ্রাসায় প্রিন্সিপালের একি কান্ড” শিরোনামীয় একটি সংবাদ পোষ্ট করে তিনি নিজে প্রকাশ করলে তা দেশ বিদেশে আজ প্রায় ২৬ দিন ধরে ভাইরাল হয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে পড়েছে।