প্রচ্ছদ > খেলাধুলা > মেসি ম্যাজিক, ১০ গোলের ম্যাচে বার্সার ৮

মেসি ম্যাজিক, ১০ গোলের ম্যাচে বার্সার ৮

খেলাধুলা

স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসি ম্যাজিকে সোসিয়েদাদ দেপোর্তিভা হুয়েস্কাকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা। লা লিগায় প্রথমবার উঠে আসা দলটিকে ৮-২ গোলে হারিয়েছে কাতালানরা।

ম্যাচের আদ্যোপান্ত আলো ছড়িয়েছেন লিওনেল মেসি। নিজে করেছেন জোড়া গোল। পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ২ গোল। তার ম্যাজিক প্রদর্শনীর দিনে গোল উৎসবে যোগ দিয়েছেন লুইস সুয়ারেজ, উসমান ডেম্বেলে, ইভান রাকিটিচ, জর্দি আলবাও।

তবে রোববার ঘরের মাঠে বার্সার সূচনাটা মোটেই ভালো হয়নি। ৩ মিনিটেই গোল হজম করে বসে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। দারুণ ফিনিশিংয়ে ন্যু ক্যাম্পের ৮০ হাজার দর্শককে স্তব্ধ করে দেন কুচো এরনান্দেস। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় বার্সা। ফলে সমতায় ফিরতেও সময় লাগেনি। ১৬ মিনিটে রাকিতিচের পাস ধরে জোরালো শটে নিশানাভেদ করেন মেসি।

সমতায় ফিরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে স্বাগতিকরা। বেশ গোছালো ফুটবল উপহার দেন মেসিরা। তাতে ব্যবধানও বাড়তে লাগে। ২৪ মিনিটে আলবার নিচু ক্রস ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালে ঠেলে দেন অতিথিদের রক্ষণসেনা হোর্হে পুলিদো।

এরপর মুহুর্মুহু আক্রমণে হুয়েস্কাকে ব্যতিব্যস্ত রাখে বার্সা। তবে গোল পাচ্ছিল না। অবশেষে ৩৯ মিনিটে আলবার বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে অনায়াসে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সুয়ারেজ। ব্যবধান কমাতেও বিলম্ব করেনি অতিথিরা। ৪২ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির শটে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ৩-২ করেন আলেহান্দ্রো গাইয়ার।

প্রথমার্ধে টক্কর দিলেও দ্বিতীয়ার্ধে খুঁজে পাওয়া যায়নি হুয়েস্কাকে। এ অর্ধে কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি নবাগত দলটি। শুধু একের পর এক গোল খেয়েছে। ৪৮ মিনিটে সুয়ারেজের রক্ষণচেরা পাস ধরে কোনাকুনি শটে ব্যবধান বাড়ান ডেম্বেলে।

৪ মিনিট পর মেসির বাড়ানো বল থেকে হাফভলিতে দলের পঞ্চম গোলটি করেন রাকিটিচ। আর ৬১ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে সিংহের ক্ষিপ্রতায় বাঁ পায়ের বিদ্যুতগতির শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। চলতি লিগে এটি তার চতুর্থ গোল।

এরই ধারাবাহিকতায় ৮১ মিনিটে মেসির পাস থেকে লক্ষ্যভেদ করেন আলবা। এরই সঙ্গে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করেন ছোট ম্যাজিসিয়ান। একবিংশ শতাব্দীর লা লিগায় প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১৫০ গোলে অ্যাসিস্ট করার কীর্তি গড়লেন তিনি।

গোলবন্যার ম্যাচে ইনজুরি টাইমেও সাফল্য পায় বার্সা। দ্বিতীয় মিনিটে ডি বক্সে সুয়ারেজকে ফাউল করেন হুয়েস্কা গোলরক্ষক। এতে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের অষ্টম গোলটি করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার।