প্রচ্ছদ > সিলেট প্রতিক্ষণ > ‘৪ দফা দাবি মানা না হলে দুর্বার আন্দোলন’

‘৪ দফা দাবি মানা না হলে দুর্বার আন্দোলন’

সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক : ২০১০ এর এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রভাষকদের ১২ বছর অভিজ্ঞতায় অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ) ১৫ বৎসর অভিজ্ঞতা অধ্যক্ষ (স্নাতক) পদে নিয়োগের সুযোগ দান। পদোন্নতি প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে উচ্চতর পদে যোগদানের সুযোগ। ২০১০ এর এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রভাষকদের ৮ বছর পূূর্তিতে সকল প্রভাষককে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নিত প্রধান। ১৬ বছর পূর্তিতে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদায়ন করতে হবে এ ৪ দফা দাবি জানিয়েছেন কলেজ শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ।সোমবার সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারস্থ সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে এ আবেদন জানান। দাবি মানা না হলে মুক্তিযেদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী অন্যান্য শিক্ষক সংগঠনের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার ও হুমকি দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে সিলেট কলেজ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি জ্যোতিষ মজুমদার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রনালয় এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ জারী করেছে। এই নীতিমালায় অনেক ভাল ধারা থাকার পরও কিছু কিছু ধারা শিক্ষকদের চরমভাবে হতাশ ও ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। জনবল কাঠামো ২০১০ অনুযায়ী প্রভাষক পদে ৮ বছর পূর্তিতে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নিত করা হত অনুপাত প্রথা (৫:২) নামাক কাল প্রথার মাধ্যমে এবং পদোন্নিত বঞ্চিতদের ৯ম গ্রেড থেকে ৭ম গ্রেডে উন্নিত করা হত একই সাথে, কিন্তু জনবল কাঠামো ২০১৮  অনুযায়ী প্রভাষক/সহকারি অধ্যাপক পদে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ/স্নাতক কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু জনবল কাঠামো -২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ যিনি অনুপাত প্রথার কারণে সহকারি অধ্যাপক পতে পারলেন না, তিনি অধ্যক্ষ পদে অযোগ্য হয়ে গেলেন। আবার জনবল কাঠামো ২০১০ অনুযায়ী প্রভাষক/সহকারি অধ্যাপক পদে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে স্নাতক পর্যায়ে কলেজে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারতেন। কিন্তু জনবল কাঠামো ২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদে আবেদন করতে হলে উপাধ্যক্ষ/সহকারি অধ্যাপক পদে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, যিনি অনুপাত নামক কাল প্রথার কারণে সহকারি অধ্যাপক হতে পারেন নাই, তিনি কোন অপরাধে অধ্যাক্ষ পদে অযোগ্য হবেন। পদোন্নিত বঞ্চিতরা আর্থিক ও সামাজিকভাবে এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের পথ কেন বন্ধ হয়ে যাবে জনবল কাঠামো ২০১০ অনুযায়ী সহযোগী অধ্যাপক পদ সৃষ্টির কথা থাকলেও ২০১৮ অনুযায়ী উক্ত পদ বাতিল করা হয়েছ। মনে রাখতে হবে যারা এই নীতিমালার সাথে জড়িত দেশটি শুধু তাদেরই নয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই দেশ ১৬ কোটি মানুষের। এই ১৬  কোটি মানুষের সাথে প্রধানমন্ত্রীও চান দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরোও উন্নত হোক।  সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কলেজ শিক্ষক পরিষদের সহ সভাপতি নন্দ কিশোর রায়, ছমির উদ্দিন, মো. আব্দুল মতিন, সাধারণ সম্পাদক কামরুল আলম চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক সুব্রত রায়, সদস্য মো. আব্দুল আলীম।