প্রচ্ছদ > শীর্ষ সংবাদ > ‘নির্যাতিত’ নেতৃবৃন্দর পাশে আরিফ

‘নির্যাতিত’ নেতৃবৃন্দর পাশে আরিফ

শীর্ষ সংবাদ সিলেট প্রতিক্ষণ

 

সময়ের ডাক: নির্যাতিত নেতৃবৃন্দকে মনে রেখেছেন আরিফুল হক চৌধুরী। নির্বাচনী পোস্টার ব্যানার অপসারণের পাশাপাশি নির্যাতিত নেতৃবৃন্দের খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছেন তিনি।

তিনি কারাগারে দেখা করেছেন বিএনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক ও তার কর্মী জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজারের সাথে।

বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত এই প্রার্থী তার প্রচারণার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া সিলেট মহানগর যুবদল নেতা মন্তাজ হোসেন মুন্না ও তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নিয়েছেন।

বুধবার রাত ৯টার দিকে কাজিটুলাস্থ যুবদল নেতা মুন্না’র বাসায় গিয়ে তার অসুস্থ পিতা-মাতা ও তার স্ত্রী-সন্তানদের খোঁজ খবর নেন।

এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মুন্নাদের ত্যাগের কারণেই আজ আমি মেয়র হতে পেরেছি। আমার এ বিজয় বিএনপিসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী নেতা-কর্মীসহ পুরো নগরবাসীর বিজয়। আমার এ বিজয় আমি তাদের জন্য উৎসর্গ করলাম।

এ সময় তার সাথে ছিলেন, মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বক্ত সাদেক, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস শুকুর ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব)।

আরিফের সাথে ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে তিনি অন্যান্য নির্যাতিত নেতৃবৃন্দ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ-খবরও নিচ্ছেন।

এর আগে গ্রেফতারকৃত বিএনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক ও জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজারের সাথে কারাগারে গিয়ে তিনি দেখা করেন।
সোমবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে তিনি সাড়ে ৪ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন।

ফলফল ঘোষণার পরে আরিফুল হক চৌধুরী সপরিবারের কামরানের বাসায় গিয়ে দেখা করেছেন। সেখানে তিনি তার সাথে নগরীর উন্নয়ন নিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট কথা বলেন।

এরপর বুধবার তিনি নগরীর পরিস্কার করার কাজে নামেন। বিশেষে করে পলিথিন মোড়ানো নির্বাচনী পোস্টারগুলো নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে অকেজো করে ফেলার আশংকা যথেষ্ট।

আর তাই সিলেটের হবু মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই সদলবলে তার অপসারণ করতে কাজ শুরু করেন।

সেই সাথে সকল প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে নিজেদের ব্যানার পোস্টার ফেস্টুন অপসারণের জন্য অনুরোধও জানান।

এসব কাজের পাশাপাশি দলীয় নির্যাতিত নেতা ও কর্মীদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন তিনি।

নির্বাচনের পরপরই আরিফুল হক চৌধুরীর এমন তৎপরতায় চারদিকে চলছে সরব আলোচনা।

সচেতন নাগরিকবৃন্দ বলাবলি করছেন, যোগ্য লোককেই বেছে নিয়েছেন সিলেটবাসী।