প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩০ জনের মোবাইল ফোর্স

নিজস্ব প্রতিবেদক :: অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য নির্বাচনের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩০ জন সদস্য নিয়ে একটি করে মোবাইল ফোর্স থাকবে। বিভিন্ন স্থরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা। নির্বাচনী সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে র‌্যাবের ২৭টি এবং ১৪ প্লাটুন বিজিবি কাজ করবে। থাকছেন জুডিসিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও।

সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩০ জন সদস্য নিয়ে একটি করে মোবাইল ফোর্স থাকবে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সিসিক নির্বাচনে ২৭টি ওয়ার্ডে ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ‘সাধারণ’ তালিকায় থাকা কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২২ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তালিকায় থাকা কেন্দ্রে থাকবেন ২৪ জন সদস্য।

সাধারণ কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে পুলিশের একজন এসআই, একজন এএসআই ও পাঁচজন কনস্টেবলসহ সাতজন সদস্য, একজন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য, একজন পিসি (প্লাটুন কমান্ডার) আনসার সদস্য, একজন এপিসি আনসার সদস্য, ১২ জন লাঠিসহ আনসার সদস্য থাকবেন।

অন্যদিকে, ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে পুলিশের একজন এসআই, একজন এএসআই ও পাঁচজন কনস্টেবলসহ সাতজন সদস্য, তিনজন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য, একজন পিসি (প্লাটুন কমান্ডার) আনসার সদস্য, একজন এপিসি আনসার সদস্য, ১২ জন লাঠিসহ আনসার সদস্য থাকবেন।

নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সিলেট সিটি নির্বাচনে নয়জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চারদিন দায়িত্ব পালন করবেন। ভোট গ্রহণের আগের দিন (২৯ জুলাই), ভোটের দিন এবং পরবর্তী দুই দিন এরা মাঠে থাকবেন।

এদিকে, ভোট সুষ্ঠু করতে আগামী শুক্রবার (২৭ জুলাই) রাত ১২টা থেকে বহিরাগতদের সিটি এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে ইসি। এছাড়া ভোটের তিন দিন আগে থেকে ভোটের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত লাইসেন্সধারী অস্ত্র বহনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।