প্রচ্ছদ > ভোটের কথা > দুই কাউন্সিলারে প্রার্থীর মধ্যে মারামারি!

দুই কাউন্সিলারে প্রার্থীর মধ্যে মারামারি!

ভোটের কথা শীর্ষ সংবাদ সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক: নগরীর ১৬নং ওয়ার্ডের তাঁতিপাড়া এলাকায় মারামারিতে দুই কাউন্সিলর প্রার্থী আহত হয়েছেন বলে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) বিকেলের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে দু’পক্ষই।তাদের সমর্থক সূত্রে জানা যায় বর্তমানে তারা তারা দু’জনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আহতরা হলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের ১৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ও এবারের নির্বাচনে প্রার্থী আব্দুল মুহিত জাবেদ এবং কাউন্সিলর প্রার্থী সাব্বির আহমদ চৌধুরী।এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুরো ঘটনাটিকে নাটক বলে মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে একটি অভিযোগ পেয়ে আমি কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে তাঁতিপাড়া এলাকায় যাই। সেখানে গিয়ে দেখি কাউন্সিলর প্রার্থী সাব্বিরের বাসার ভেতরে নারীদের নিয়ে একটি সভা চলছে। ঠিক তার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে
বর্তমান কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ।

এভাবে দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণার কাজ করছেন। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তেজিত হতে থাকলে তিনি সাব্বিরকে ১০ মিনিটের মধ্যে সভা শেষ করার নির্দেশ দেন এবং বাকি প্রার্থীদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

কিন্তু, দু’পক্ষই নির্দেশ অমান্য করে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়। উত্তেজনা বাড়তে থাকলে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যাপারটি অবগত করলে তিনি কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে উপস্থিত হন।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপে দু’পক্ষই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এখানে মারামারি কিংবা হাতাহাতির কোন ঘটনা ঘটেনি। দুই প্রার্থীই এ ঘটনা নিয়ে নাটক সাজাচ্ছেন। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার ব্যাপারে ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ বলেন, তাঁতিপাড়ার একটি বাসায় ভোটারদের মধ্যে সাব্বির ও তার কর্মীরা টাকা বিতরণ করছেন এমন খবর পেয়ে তিনি সেখানে যাওয়া মাত্রই তার উপর হামলা চালায় সাব্বির ও কর্মীরা। এতে তিনি হাতে এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।

অপরদিকে কাউন্সিলর প্রার্থী সাব্বির আহমদ চৌধুরী বলেন, বিকালে তাঁতিপাড়ায় একটি বাসায় তিনি এলাকার কয়েকজনের সাথে আলোচনা করছিলেন। হঠাৎ সেখানে এসেই তাদের উপর হামলা করেন কাউন্সিলর জাবেদসহ তার কর্মীরা। এসময় আমার ভাই সাকিব ও শিপলু আহত হয়। হামলায় আহত হয়ে তারা বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে বলেও জানান তিনি।

তবে মারামারির ব্যাপারে তাদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকলেও সিলেট কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, মারামারির কোন ঘটনার খবর তিনি পান নি।