প্রচ্ছদ > ভোটের কথা > ‘পরিবারের নিরাপত্তার জন্য স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর হস্তক্ষেপ কামনা’

‘পরিবারের নিরাপত্তার জন্য স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর হস্তক্ষেপ কামনা’

ভোটের কথা সিলেট প্রতিক্ষণ

সময়ের ডাক: মসজিদের ভেতরে লিফলেট বিতরণ না করে বাহিরে বিতরণ করার জন্য অন্যান্যদের সাথে আমি অনুরোধ করাই ছিল অপরাধ। এই অপরাধে এখন পরিবার নিয়ে নিরাপত্তা হীনতায় আছেন তিনি। ঘটনার নিস্পত্তি ও নিরাপত্তার জন্য সিসিক’র টেবিল ঘড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহছানুল মাহবুব জুবায়ের ও দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এই ভোটার। তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের ৭নং ওয়ার্ডের সুবিদবাজার এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী হাসান আব্দুল গণি।সোমবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহছানুল মাহবুব জুবায়ের প্রতি এ হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী হাসান আব্দুল গণি লিখিত বক্তব্যে বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই আমি। ব্যবসা করে কোনো মতে দিনাতিপাত করি। ব্যক্তিগত জীবনে কখনো কারো ক্ষতির কারণ হইনি। কিন্তু সম্প্রতি একটি তুচ্ছ ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী সমর্থকদের রোষানলে পড়ে আমার ও আমার পরিবারের জীবন এখন শঙ্কার মধ্যে রয়েছে।

নগরীর সুবিদবাজার বায়তুল মাকসুদ জামে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর জামায়াত সমর্থিত টেবিল ঘড়ি মার্কার মেয়র প্রার্থী এডভোকেট এহছানুল মাহবুব জুবায়ের এর সমর্থকরা মসজিদের ভেতরে লিফলেট বিতরণ করেন। ওই সময় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে লিফলেট বিতরণে আপত্তি দিয়ে মসজিদের বাইরে গিয়ে লিফলেট বিতরণ করতে অনুরোধ করেন। এ ঘটনায় মুসল্লিদের হয়ে আমিও কর্মী সমর্থকদের বাইরে গিয়ে লিফলেট বিতরণের অনুরোধ করি। কিন্তু জামায়াত সমর্থিত ওই মেয়র প্রার্থীর লোকজন এককভাবে আমাকে ভুল বুঝে বসেন। পরক্ষণে বিকেলের দিকে আমি বাসায় যাওয়ার পর জামায়াত সমর্থিত ঘড়ি মার্কার কর্মী সমর্থকরা আমাকে লক্ষ্য করে এসে সুবিদবাজারে অবস্থিত আমার বাসার পাশের মৌরসী রেস্টুরেন্টে আসে। সেখানে আমাকে না পেয়ে রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর করে চলে যায়।

এ নিয়ে গতকাল রোববার বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে আমার নামোল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ওইদিনের ঘটনার পর থেকে সুবিদবাজার এলাকায় আমার বাসার সামনে মোটরসাইকেল যোগে ওই মেয়র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা মহড়া দিয়ে আসছেন। এ কারণে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। তুচ্চ এ ঘটনার জের ধরে যে কোনো সময় হামলার শিকার হতে পারি। এ জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসা বন্ধ করে দিয়েছি। সেই সঙ্গে পরিবারের লোকজনেরও স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যহত হচ্ছে। বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে যাওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি।

ব্যস্ত জীবনে রাজনীতির সঙ্গে জড়ানোর বা কারো সাথে ঝগড়া বিভেদ সৃষ্টি হোক তা আমি চাই না। এক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিক হিসেবে এটা আমার যদি ভুলও হয়ে থাকে, আশাকরি প্রার্থীর ও সংশ্লিষ্ঠ দলের নেতৃবৃন্দ আছেন, তারা এর সুষ্ট সমাধান দেবেন। মেয়র প্রার্থী বা তাঁর দলের শীর্ষ সারির নেতৃবৃন্দ বিষয়টি নিস্পত্তিতে এগিয়ে আসলে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তায় বিঘœ ঘটবে না বলে আমার বিশ্বাস। ঘটনাটি নিস্পত্তিতে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহছানুল মাহবুব জুবায়ের ও দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।