আমার রাজনীতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য : প্রধানমন্ত্রী

সময়ের ডাক ডেস্ক : বাংলাদেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র খাদ্য বাসস্থান চিকিৎসা চাহিদা নিশ্চিত করাই তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমার রাজনীতি এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, আর এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’সোমবার (০৪ জুন) সন্ধ্যায় গণভবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে যেন আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে পারি এবং ২০২১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।’

ইফতারের আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন টেবিল ঘুরে আগত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি আগত অতিথিদের মাহে রমজান এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইফতারের আগে দেশ-জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উন্মাহ’র শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মোনাজাতে ’৭৫ এর ১৫ আগস্টে শাহাদাতবরনকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব এবং সেদিনের সকল শহীদ, জাতীয় চারনেতা, ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মাহুতি দানকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু)-র চেয়ারম্যান পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া এবং বিএনএফ সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠন, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতি লীগ, ১৪ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ, শেখ রাসেল শিশু কিশোর সংসদ নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

অন্যান্য ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী কোন বক্তব্য না রাখলেও এদিন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।