সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০

সময়ের ডাক ডেস্ক:এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এছাড়া হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৩১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বুধবার (৩০ মে) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামি শরীয়াহ মতে আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনও একটির দামের ওপর ভিত্তি করে ফিতরা প্রদান করা যায়। আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৭০ টাকা প্রদান করতে হবে।

যব দিয়ে ফিতরা দিতে হলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৫০০ টাকা, কিসমিস হলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৩২০ টাকা, খেজুর হলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৯৮০ টাকা, পনির হলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ২৩১০ টাকা ফিতরা দিতে হবে।

দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যের ভিত্তিতে উপযুক্ত ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পণ্যগুলোর যেকোনও একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য হিসাবে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। এসব পণ্যের স্থানীয় বাজারে দামের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহমদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোজাহারুল মান্নান, প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সালাম, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালক মাওলানা এ কে এম ফজলুর রহমান, পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান শিকদার, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহিউদ্দীন কাসেম প্রমুখ।