দিনাজপুরে ৭ আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার না হলে আন্দোলনের হুমকি

দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২ কর্মচারীকে পেটানোর অভিযোগে ৭ আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে বিচার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিস সহকারী কাম টাইপিস্ট মো. আমিনুর রহমান ও পিয়ন আব্দুস সালামকে পেটানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মচারী আমিনুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ২টায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামানের অফিস সহকারী কাম টাইপিস্ট মো. আমিনুর রহমানের কক্ষে ৭ আইনজীবী মাহফুজুর রহমান খান বিপুল, রবিউল আলম রবি, মো. ফিবেল, মো. সাদিক আলম বিন নায়ের, মো. সুমন সরকার খোকা, মো. রঞ্জু এবং মো. খোকনসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন প্রবেশ করেন।

এ সময় আইনজীবীদের সঙ্গে সহকারী আমিনুর ও পিয়ন আব্দুস সালামের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন ওই সাত আইনজীবীরা।

সাত আইনজীবী আমিনুর ও সালামকে কিলঘুষি, লাথি, চড়-থাপ্পড় মারার একপর্যায়ে উভয়ে মেঝেতে পড়ে গেলে সে অবস্থায়ও বেদম পেটান।

তাদের আর্তনাদে আশপাশের রুমের কর্মচারীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় সহকর্মীরা আমিনুর ও সালামকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান এজলাস থেকে নেমে এসে আহত ২ কর্মচারীকে দেখে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

ঘটনার পর দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সব শ্রেণির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা কাজকর্ম বন্ধ করে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

বাংলাদেশ কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. এনায়েত হোসেন ও বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতি দিনাজপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ হোসেন জানান, রোববার পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করবে।

রোববারের মধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনজীবীদের গ্রেফতার করে দ্রুত তাদের বিচার করা না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুমকি দেন তারা।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, দ্রুত বিচার আইনে ৭ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৫৩। এসআই রুহুল আমিনকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২ কর্মচারীকে পেটানোর অভিযোগে ৭ আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে বিচার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিস সহকারী কাম টাইপিস্ট মো. আমিনুর রহমান ও পিয়ন আব্দুস সালামকে পেটানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় কোতোয়ালি থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মচারী আমিনুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ২টায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামানের অফিস সহকারী কাম টাইপিস্ট মো. আমিনুর রহমানের কক্ষে ৭ আইনজীবী মাহফুজুর রহমান খান বিপুল, রবিউল আলম রবি, মো. ফিবেল, মো. সাদিক আলম বিন নায়ের, মো. সুমন সরকার খোকা, মো. রঞ্জু এবং মো. খোকনসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন প্রবেশ করেন।

এ সময় আইনজীবীদের সঙ্গে সহকারী আমিনুর ও পিয়ন আব্দুস সালামের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন ওই সাত আইনজীবীরা।

সাত আইনজীবী আমিনুর ও সালামকে কিলঘুষি, লাথি, চড়-থাপ্পড় মারার একপর্যায়ে উভয়ে মেঝেতে পড়ে গেলে সে অবস্থায়ও বেদম পেটান।

তাদের আর্তনাদে আশপাশের রুমের কর্মচারীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় সহকর্মীরা আমিনুর ও সালামকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান এজলাস থেকে নেমে এসে আহত ২ কর্মচারীকে দেখে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

ঘটনার পর দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সব শ্রেণির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা কাজকর্ম বন্ধ করে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

বাংলাদেশ কালেক্টরেট কর্মচারী সমিতি দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. এনায়েত হোসেন ও বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতি দিনাজপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ হোসেন জানান, রোববার পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করবে।

রোববারের মধ্যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনজীবীদের গ্রেফতার করে দ্রুত তাদের বিচার করা না হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুমকি দেন তারা।

কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, দ্রুত বিচার আইনে ৭ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৫৩। এসআই রুহুল আমিনকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।