রশিদ খানের ‘অবিশ্বাস্য’ ইনিংসে সাকিবদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

স্পেটার্টস ডেস্ক:আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার। আইপিএলের এবারের আসরের প্রথম দিকে হায়দরাবাদের কম পুঁজি থাকার পরও তার ঘূর্ণিতে অনেক ‘হারা ম্যাচ’ জিতে গিয়েছে হায়দরাবাদ। পুরস্কারস্বরূপ একাধিকবার ম্যান অব দ্য ম্যাচও হয়েছেন তিনি।আজ হায়দরাবাদের মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে সেই রশিদ খানই অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেললেন। মাত্র ১০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। এমন ঝড়ো ইনিংসের আগে একজন লেগ স্পিনারের কাছে কখনও প্রত্যাশা করেছিলেন?দুই চার আর চারটি নান্দনিক ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি আজকের আইপিএলের টক অব দ্য নিউজে পরিণত হয়েছে।তার অনবদ্য ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৪ রান সংগ্রহ করেছে হায়দরাবাদ। এর মধ্যে শুধু শেষ ওভারেই আসে ২৪ রান। এর সব কৃতিত্বই রশিদ খানের।ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হেরে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আর এলিমিনেটর ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে জিতে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স।

আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছে হায়দরাবাদ ও কলকাতা। আজই মহারণে লড়ছে দুদল।

ইতিমধ্যে এ ম্যাচটি ‘অঘোষিত’ সেমিফাইনালের তকমা পেয়ে গেছে। কারণ এ ম্যাচে যে জিতবে সেই ফাইনালের টিকিট পাবে। হাইভোল্টেজ ম্যাচটি ইডেন গার্ডেনে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা।

এর আগে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ২৮ রান করে দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর একে একে বিদায় নেন ইউসুফ পাঠান, দীপক হুদাসহ নির্ভরযোগ্য সব ব্যাটসম্যানরা।

ধারাভাষ্যকাররা শঙ্কায় ছিলেন ১৫০ কোটায় রান হয় কিনা। ঠিক ওই সময় ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তরুণ তুর্কি রশিদ খান। উইকেটের চারপাশে নান্দনিক সব শট উপহার দিয়ে

এ ম্যাচটিতে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের দিকে তাকিয়ে রয়েছে বাংলাদেশের দর্শকরা। হায়দরাবাদও চায় ফাইনালে যেতে। সেক্ষেত্রে সাকিবের ব্যাটিং ঝলকের পর বোলিংয়েও ভালো কিছু আশা করছেন সবাই। কারণ তার অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যে একাধিক ম্যাচ জিতেছে হায়দরাবাদ।

এবারের আইপিএলে সেরা বোলিং লাইনআপ নিঃসন্দেহে হায়দরাবাদের। শুরুতে বেশ কয়েকটি কঠিন ম্যাচ শুধু বোলারদের কাঁধে চড়ে পার হয়েছে দলটি। সাকিব-রশিদ আর ভুবনেশ্বর কুমারদের বোলিং দাপটে প্রথম দিকের অনেক ম্যাচ জিতেছে হায়দরাবাদ। আজ সেদিকেই তাকিয়ে আছে হায়দরাবাদ ও বাংলাদেশি দর্শকরা।

খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করছে চ্যানেল নাইন, স্টার স্পোর্টস-১ ও জলসা মুভিজ।