সিকৃবিতে ‘অবৈধ’ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে মানবন্ধন

সিকৃবি প্রতিনিধি : সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ১১টি পদে কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। শনিবার (১৯ মে) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে ভাইবা দিতে আসা প্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অবৈধ পন্থা অবলম্বনের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

আন্দোলনকারী প্রার্থীদের দাবী, অস্থায়ী ভিত্তিতে এই পদগুলোতে ১ বছর আগেই ১০ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে স্থায়ী করা হচ্ছে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। অথচ প্রজ্ঞাপনের কোথাও তা উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়াও নির্দিষ্ট সময়ে তাদেরকে ভাইবার বিষয়ে অবগত করা হয়নি।

আন্দোলনকারী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক মওদুদ আহমেদ জানান, গত ১৭ তারিখ রাতে তাকে ফোনে ভাইবার জন্য অবগত করা হয়। সময় সম্পর্কে তাকে কিছু বলা হয়নি। কোন ভাইবা ইনভাইটেশন কার্ডও দেয়া হয়নি। ১৮ তারিখ তিনি ফোন দিয়ে ভাইবার সময় জানেন ১৯ তারিখ সকাল ১২ টায়। কিন্তু ভাইবাস্থলে এসে দেখছেন তার ভাইবা ২ টায়।

আন্দোলনকারী প্রার্থী আরেক স্নাতক নিজাম উদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নিয়মনুযায়ী অস্থায়ী ভিত্তিতে যাদের নিয়োগ দেয়া হয় দুইবছর অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের স্থায়ী করতে হয়। কিন্তু ১ বছর ৩ মাসের মাথায় অবৈধভাবে তাদের স্থায়ী করা হচ্ছে এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। ভাইবা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের সাথে নেই কোন প্রমাণ। নেই কোন ভাইবা কার্ড।

সরেজমিনে পরিদর্শনে জানা যায়, আন্দোলনকারীদের চাপের মুখ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বেলা ১২ টায় ভাইবা কার্ড দেয়া শুরু করে।

বিশ্ববিদ্যালের রেজিষ্ট্রার কার্যালয় জানান, প্রার্থীদের ফোনকলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে ভাইবার দিনেই তাদের ভাইবা কার্ড দেয়া হবে। তবে এ কথা সম্পুর্ণ অস্বীকার করেন আন্দোলনকারী প্রার্থীরা।

এমসি কলেজের স্নাতক সঞ্জয় মল্লিক জানান, তাকে ভাইবা কার্ডের বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। এছাড়াও আন্দোলনকারীরা জানান, রতন মল্লিক নামে একজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের সেকশন অফিসার পদের অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি আজকে ভাইবা দিচ্ছেন। তার বয়স সরকারি চাকরীর বয়সের সীমা অতিক্রম করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন হেনস্থার শিকার হয়ে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা।