বিইউপির ক্যাম্পাস হবে ২০ একর এলাকাজুড়ে

সময়ের ডাক ডেস্ক: বেসরকারি খাতের বিশ্ববিদ্যালয় ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর স্থায়ী ক্যাম্পাস হবে ২০ একর এলাকাজুড়ে। এ ক্যাম্পাসে গড়ে উঠবে ১৫ তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন এবং অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি।

সরকারের পক্ষ থেকে এজন্য প্রায় ৮০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মিরপুর সেনানিবাসে অবস্থিত বিইউপির স্থায়ী ক্যাম্পাসের উন্নয়নে পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এজন্য ৮০৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়-সংবলিত একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বরাদ্দের এ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২০ সাল নাগাদ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. এমদাদুল বারী বলেন, বিইউপিকে পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারার মধ্যে রেখে একটি গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা যেন জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রকাশ পেতে পারি সেই লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাসহ বেসামরিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি রূপকল্প নেয়া হয়েছে। বিইউপি দেশের উচ্চশিক্ষায় এমনভাবে অবদান রাখতে চায় যেন তা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পথপ্রদর্শক হতে পারে। সেই লক্ষ্যে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, দেশের ২৯তম পাবলিক বিশ্ব বিদ্যালয় হিসাবে ২০০৮ সালের জুনে যাত্রা শুরু করে বিইউপি। বর্তমানে স্নাতক ও স্মাতকত্তোর পর্যায়ে ৬৯ ধরনের ডিগ্রি বা কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্ব বিদ্যালয়টির উন্নয়নে ২০১০ সালে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। যা এখনও চলমান। কিন্তু ওই প্রকল্পে প্রশাসনিক ভবন, বৈজ্ঞানিক ল্যাবরেটরি ভবন, ইউটিলিটি কাম নিরাপত্তা ভবন ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে চলমান পাঁচটি বিভাগের আওতায় প্রতি বছর অতিরিক্ত ১৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং দুই হাজার ৩০০ বিদেশি শিক্ষার্থীকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রসার ঘটবে। শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে এর গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২০ বলা হলেও তা বাড়িয়ে ২০২১ সাল করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।